ছাতকে সংঘর্ষে আহত ২৫

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২১:১৬

ছাতক (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা

ছাতকে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ ২৫ ব্যক্তি আহত হয়েছে। গুরুতর আহত ছয় জনকে ভর্তি করা হয়েছে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সংঘর্ষের সময় প্রতিপক্ষরা হামলা করে সংখ্যালঘু পরিবারের ২০-২৫টি বসতঘর ভাঙচুর করে। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের জামুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কদিন ধরে জামুরা গ্রামের নিজাম উদ্দিনের পুত্র এখলাছ, মামুন মিয়ার পুত্র ইসমাইল, যজ্ঞ দাসের পুত্র অপূর্ব দাসসহ কয়েকজন যুবক জামুরা হিন্দুপাড়া আখড়া এলাকায় আড্ডা দিতে যায়। এ সময় তারা পাড়ার মেয়েদের লক্ষ্য করে অশালীন আচরণও করতে থাকে। বৃহস্পতিবার বিকেলে একইভাবে তারা আখড়া এলাকায় গিয়ে বখাটেপনা শুরু করলে গ্রামের রাজকুমার দাসের পুত্র সন্তোষ দাস তাদের বাধা দেয়। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সুন্তোষ দাসকে মারধর করে তারা। এ ঘটনার জের ধরে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষরা হামলা করে জামুরা হিন্দুপাড়ার ইউপি সদস্যা প্রিয়বালা দাসের বসতঘরসহ ২০-২৫টি বসতঘর ভাঙচুর ও মারধর করে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে নারীসহ ২৫ ব্যক্তি আহত হয়।

ছাতক থানার ওসি মোস্তফা কামাল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। 

ছাতকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে

যুবতীর আত্মহত্যা

ছাতকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে মুন্নি আক্তার (১৯) নামের এক যুবতী আত্মহত্যা করেছে। শুক্রবার রাতে নিজ বসতঘরের তিরের সঙ্গে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে সে আত্মহত্যা করে। মুন্নি আক্তার উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের মুক্তিরগাঁও গ্রামের কবির মিয়ার কন্যা। রাতে মুন্নিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে পরিবারের লোকজন তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ছাতক থানার ওসি মোস্তফা কামাল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।