৬৯০ প্রভাষককে সপ্তম গ্রেড দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

আপডেট : ১০ আগস্ট ২০২৬, ২১:১৯

সারা দেশের জাতীয়করণ হওয়া বিভিন্ন কলেজের ৬৯০ জন প্রভাষককে সপ্তম গ্রেড (বেতন স্কেল) দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তিন বছর আগে করা এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ-সংক্রান্ত রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেওয়া হয়।

সোমবার (১০ আগস্ট) বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম ও বিচারপতি মুরাদ-এ-মওলা সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জামালুর রহিম খান (মো. জে আর খান রবিন)।

রিট আবেদনকারীপক্ষ জানায়, জাতীয়করণ হওয়ার আগে ৬৯০ জন প্রভাষক সংশ্লিষ্ট কলেজে কর্মরত থাকাকালে সপ্তম গ্রেডে বেতন-ভাতা পাচ্ছিলেন। তবে কলেজ জাতীয়করণের পর তাদের গ্রেড কমিয়ে নবম গ্রেডে নামিয়ে আনা হয়। এতে চাকরির সুবিধাসহ সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ায় প্রতিকার চেয়ে ২০২৩ সালে তাঁরা হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। আর রুল নিষ্পত্তি করে আজ রায় দেওয়া হয়।

রায়ের পর আইনজীবী মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, এর আগে এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ১১ জুলাই হাইকোর্ট ৪৫ জন প্রভাষকের পক্ষে একই ধরনের রায় দিয়েছিলেন বলে জানান রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী সিদ্দিক উল্লাহ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ২০২৩ সালে করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট ৬৯০ জন প্রভাষককে জাতীয়করণের আগে তাঁদের প্রাপ্ত সপ্তম গ্রেড প্রদান করতে নির্দেশ দিয়েছেন। রিটটি নিষ্পত্তি করে এই রায় দেওয়া হয়।

রিট আবেদনকারীদের এই আইনজীবী বলেন, জাতীয়করণ হওয়া শিক্ষকেরা যে বৈষম্যের শিকার হয়েছিলেন, হাইকোর্টের আজকের রায়ের মাধ্যমে তারা ন্যায়বিচার পেলেন ও তাদের অধিকার ফেরত পেয়েছেন। হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হওয়ার পরে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি।

 
ইত্তেফাক/এমএসআর