গ্যাস সংকট নিরসনের দাবিতে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ চালকদের

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১১:২০

জামালপুরে নতুন গ্যাস পাম্প স্থাপন ও চলমান গ্যাস সংকট নিরসনের দাবিতে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা। এতে মহাসড়কের দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী ও অন্যান্য যানবাহনের চালকরা।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন সিএনজি চালকরা।

জানা গেছে, গ্যাস সংকটের কারণে প্রায় দুই মাস যাবত সিএনজি চালকরা তাদের চাহিদা মতো গ্যাস পাচ্ছে না। এতে ভাড়ায় চলিত সিএনজি চালকরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। অনেকে বলছেন, তাদের চাহিদা প্রতিদিন ৪শ থেকে ৫শ টাকার গ্যাস থাকলেও তারা ১শ থেকে ৮০ টাকার গ্যাস পাচ্ছে। সেটাও আবার ১১ থেকে ১২ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর। জামালপুর জেলায় একটি মাত্র সিএনজি ফিলিং স্টেশন থাকায় বিভিন্ন উপজেলার চালকদের ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার রাস্তা পাড়ি দিয়ে জামালপুর সদরে গ্যাস নিতে আসতে হয়। ফিলিং স্টেশনে এসে যে টাকার গ্যাস পাচ্ছে সেটা বাড়ি থেকে আসা যাওয়াতেই খরচ হয়ে যাচ্ছে। তাই সিএনজি চালকরা জাবেদ ফিলিং স্টেশনকে চালকদের চাহিদা মতো গ্যাস সরবরাহ ও জামালপুরে আরো একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন নির্মাণের জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান। না হলে অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে বলে জানান অবরোধকারীরা।

 

সিএনজিচালক জয়নাল আবেদীন বলেন, রাত দুইটা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। হঠাৎ শুনি গ্যাস নেই। এটা শুধু আজকের সমস্যা নয়, মাঝেমধ্যেই এমন হয়। জামালপুরে এত সিএনজি, অথচ গ্যাস পাম্প মাত্র একটি। একদিকে গ্যাসের সংকট, অন্যদিকে একটি পাম্প হওয়ায় আমাদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তাই আমরা বাধ্য হয়ে রাস্তা অবরোধ করেছি। আমরা নতুন গ্যাস পাম্প চাই এবং গ্যাস সংকটের স্থায়ী সমাধান চাই।

জামালপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুস সাকিব বলেন, গ্যাস পাম্প ও গ্যাস সংকটের কারণে সিএনজি চালকরা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলছি। যান চলাচল স্বাভাবিক করতে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

জাবেদ ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক পরিচালক আতিকুল রহমান বাবর বলেন, এখানে আমাদের কোনো গাফিলতি নেই। আমাদের এখানে গ্যাস সরবরাহ নেই। চালকদের দেব কেমনে? যতখন গ্যাস সরবরাহ থাকে ততক্ষণ দিচ্ছি। এখন সরবরাহ নেই তাই গ্যাস দেওয়া বন্ধ আছে।

ইত্তেফাক/এনটিএম