১১ দলীয় জোট

এমপিদের স্বাধীনভাবে ভোটের সুযোগ দিতে ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করতে হবে

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৮

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জামায়াত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে মনোনয়ন বৈধ হওয়ার পরই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের দাবি তুলেছে জোটটি। তাদের মতে, এই অনুচ্ছেদের কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

রোববার (১৬ আগস্ট) নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কনফারেন্স রুমে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে অলি আহমেদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন।

যাচাই-বাছাই শেষে ১১ দলীয় প্রতিনিধি দলের সদস্য ও ঢাকা-১৬ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য আবদুল বাতেন সাংবাদিকদের বলেন, ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমেদের মনোনয়নপত্র সঠিক হিসেবে পাওয়া গেছে। আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠেয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তিনি অংশ নেবেন।

মনোনয়ন প্রত্যাহারের সম্ভাবনা রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আবদুল বাতেন বলেন, মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হবে না। নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত অংশগ্রহণের লক্ষ্যেই অলি আহমেদের মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রায় ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তারা চান, এর মধ্য দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক।

তবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের স্বাধীন ভোটাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আবদুল বাতেন। তিনি বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন না। এটি স্বাধীন ভোটাধিকারের পথে বড় ধরনের অন্তরায়।

আবদুল বাতেন বলেন, ‘বিষয়টি আরও সুন্দর হতো, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন না। আমরা মনে করি, এটা স্বাধীন ভোটাধিকারের পথে বড় ধরনের অন্তরায়। আমরা চাই যেকোনো মূল্যে এ ধারাটি সংশোধন করতে হবে।’

ইসিতে যাচাই-বাছাইয়ের সময় ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন জাগপার সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, এলডিপির মহাসচিব বিল্লাল মিয়াজী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ফখরুল ইসলামসহ অন্য নেতারা।

বৈধ হওয়া মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান এবং সমর্থক ছিলেন এনসিপির আবদুল্লাহ আল আমিন।

ইত্তেফাক/এসএ