বদলির সুযোগ পাচ্ছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৯

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। 

আগামী ২১ আগস্ট থেকে অনলাইনে বদলির আবেদন নেওয়া হবে, যা চলবে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) তত্ত্বাবধানে টেলিটকের কারিগরি সহায়তায় স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য এবং এর নির্দেশনাবলী প্রকাশ করেছে।'

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মাধ্যমিক শাখার পরিচালক অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন খানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বদলি হতে ইচ্ছুক শিক্ষকরা মোবাইলে পাঠানো ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে আগামী ২১ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। প্রাপ্ত আবেদন বদলি নীতিমালা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে যাচাইয়ের পর বদলিভিত্তিক পদায়নের আদেশ জারি করা হবে।

বদলির জন্য আবেদনকারী শিক্ষক তার চাকরির আবেদনে উল্লেখ করা নিজ জেলায় বদলির আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় শূন্য পদ না থাকলে নিজ বিভাগের অন্য যেকোনও জেলায় শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করার সুযোগ থাকবে।

এ ছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা কিংবা কর্মস্থলের জেলায় বদলির আবেদন করতে পারবেন শিক্ষকরা। তবে স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বা এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হতে হবে। এ সংক্রান্ত তথ্য সফটওয়্যারে ভুল দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান ও আবেদনকারী শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।

নীতিমালা অনুযায়ী, চাকরিতে প্রথম যোগদানের পর দুই বছর পূর্ণ হলে একজন শিক্ষক বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পরও পরবর্তী বদলির আবেদন করতে হলে ন্যূনতম দুই বছর সেখানে কর্মরত থাকতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য দিয়ে করা আবেদন বিবেচনা করা হবে না। ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য দেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। তবে বদলির আবেদন করলেই তা অধিকার হিসেবে দাবি করা যাবে না। বদলিকরা শিক্ষক কোনও ধরনের ভ্রমণ বা দৈনিক ভাতা পাবেন না।

বদলির আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে বদলি করা শিক্ষককে অবমুক্ত করতে হবে। অবমুক্ত হওয়ার পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে সংশ্লিষ্ট  শিক্ষককে। অবমুক্ত হওয়া থেকে নতুন কর্মস্থলে যোগদাসের সময় পর্যন্ত সময় কর্মকাল হিসেবে গণ্য হবে।

এদিকে, কোনও শিক্ষকের বেতন বন্ধ, সাময়িক বরখাস্ত অথবা তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে তিনি বদলির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না।

ইত্তেফাক/পিএস