ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা সংযুক্ত আরব আমিরাতের

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩৯

ইরানি বাহিনী দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে এমন অভিযোগ তুলে দেশটির ওপর অনির্দিষ্টকালের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে তেহরান এই অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনাটিকে একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ বা সাজানো নাটক বলে অভিহিত করেছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে বিপন্ন করে এমন উত্তেজনার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য, বাণিজ্যিক লেনদেন ও আর্থিক আদান-প্রদান স্থগিত রাখা হয়েছে। এর আগে আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ইরান থেকে ছোড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্রের একটি জলসীমার বাইরে এবং অন্যটি জলসীমার ভেতরে পড়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের মধ্যে এই ঘটনাকে সাজানো অপারেশন হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, এই দাবি সুবেশকতার নীতির পরিপন্থী। একই সঙ্গে তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন দাবি তোলার বদলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখার আহ্বান জানান।

মার্কিন-ইরানি শান্তি আলোচনার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এই হামলার ঘটনা ঘটল। এর আগে মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ এবং অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়া ইরানের জন্য আমিরাতের এই নিষেধাজ্ঞা দেশটির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চেয়েও বড় ধাক্কা হতে পারে বলে মনে করছেন সাবেক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক কিমিত। দুবাই ইরানের প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার হওয়ায় এই নিষেধাজ্ঞা তেহরানের আন্তর্জাতিক লেনদেন এবং বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: আল জাজিরা

ইত্তেফাক/টিএইচ