ক্ষতিগ্রস্ত তিব্বত সীমান্ত এলাকায় ড্রোন পাঠাল চীন

আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৫৯

নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী তিব্বতের গিরং এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল পর্যবেক্ষণে ড্রোন ও আকাশপথে নজরদারি শুরু করেছে চীনের বিমানবাহিনী। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এবং পরবর্তীতে বিবিসির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। প্রকাশিত ভিডিওতে সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়ংকর পানি ও কাদার স্রোতের আঘাত হানার দৃশ্য ফুটে উঠেছে, যার ফলে সড়ক, যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উদ্ধার কার্যক্রমে চীনের প্রস্তুতি:

পরিস্থিতি মোকাবিলায় পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) জরুরি সাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা সক্রিয় করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে আকাশপথে লোকজন ও উদ্ধার সরঞ্জাম পরিবহনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য পরিবহন বিমান, হেলিকপ্টার এবং আরও ড্রোন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সীমান্তের দুই পাশেই নিখোঁজদের সন্ধানে জোরেশোরে অভিযান চলছে।

নেপালে নিখোঁজ পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে ৫৭৯:

ভয়াবহ এই বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় নেপালে নিখোঁজ পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে ৫৭৯ জনে দাঁড়িয়েছে। নেপাল পুলিশের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই নিখোঁজদের মধ্যে ৪৬৬ জনই বিদেশি নাগরিক, যারা মোট ২৮টি দেশের বাসিন্দা। বাকি ১১৩ জন নিখোঁজ ব্যক্তি নেপালের স্থানীয় নাগরিক। বিদেশি নিখোঁজদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৫৪ জন এবং যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন নাগরিক রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

ইত্তেফাক/এএম