অবকাঠামো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায়: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১৪:০৬

বাংলাদেশে অবকাঠামো, বন্দর ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে চীনের সহযোগিতা আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পয়ঃনিষ্কাশন, আবাসনসহ বাংলাদেশের শিক্ষা কারিকুলামে ম্যান্ডারিন তথা চীনা ভাষা অন্তর্ভুক্তকরণ, দাশেরকান্দি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) পূর্ণমাত্রায় ব্যবহার উপযোগী করতে প্রয়োজনীয় পাইপলাইন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়। রাজধানীর কড়াইল, গুলশান ও মহাখালী বস্তির উন্নয়নে আধুনিক আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চীনের কাছে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। প্রস্তাবটি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নে চীন প্রাথমিকভাবে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে।

বৈঠকের শুরুতে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান এবং দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার ও সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। দেশের উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও নগর উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে চীনের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে পারে।’

চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটি আরও বৃদ্ধি করতে চীন আগ্রহী।’

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে চীনের সহযোগিতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা তৈরি করেছে।’ তিনি জানান, আগামী সেপ্টেম্বরে তার চীন সফরের সময় এ বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ রয়েছে।

 

ইত্তেফাক/এসএইচ