বেসিস নির্বাচনে সভাপতি পদে ৪ জন, প্রাথমিক তালিকায় ২৬ প্রার্থী

আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)-এর ২০২৬ থেকে ২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে প্রাথমিকভাবে ২৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে সভাপতি পদে রয়েছেন চারজন।

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেছে বেসিস নির্বাচন বোর্ড।

প্রকাশিত প্রাথমিক তালিকায় সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন রাফায়েল কবীর, মোস্তফা রফিকুল ইসলাম, ইকবাল রাসেল ও এ কে এম আশরাফ উদ্দিন। সিনিয়র সহসভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক, নূর মাহমুদ খান ও আনিসুল হক ভূঁইয়া।

সহসভাপতি (অ্যাডমিন) পদে প্রার্থী হয়েছেন রিয়াদ হাসনাইন ও মো. মুসনাদ এ আহমেদ। সহসভাপতি (ফাইন্যান্স) পদে প্রার্থী হয়েছেন তানিয়া সুলতানা, তৌফিকুল করিম সুহৃদ ও তানজিল আবেদিন।

পরিচালক (জেনারেল) পদে প্রার্থী হয়েছেন মো. জুয়েল, সুমচ মোহাম্মদ তারেক, অ্যাপেল মাহমুদ খান, মো. আবদুর রাজ্জাক রূপম, দেলোয়ার আলম, আরেফিন রাফি আহমেদ, আবদুল্লাহ আল মামুন, ফেরদৌস আলম, মো. রাশেদুল ইসলাম ও মো. ফুয়াদ হাসান।

পরিচালক (অ্যাসোসিয়েট) পদে প্রার্থী হয়েছেন সৈয়দ শফিকুল আলম, মো. জুবায়ের রিয়েল ও আহমেদ আরমান সিদ্দিকী। পরিচালক (অ্যাফিলিয়েট) পদে প্রার্থী হয়েছেন সুমাইয়া ইসলাম।

নির্বাচন তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাতিলের বিষয়ে আপত্তি ও আপিল নিষ্পত্তির পর ২ সেপ্টেম্বর বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ৩ সেপ্টেম্বর। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে ৫ সেপ্টেম্বর। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর বেসিসের ২০২৬ থেকে ২০২৮ মেয়াদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সভাপতি প্রার্থী মোস্তফা রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা বেসিসকে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই। একটি সুস্থ, সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচনই আমাদের প্রধান দাবি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি অতীতের গ্লানি বা বিতর্ক না টেনে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানাই।”

তিনি আরও বলেন, “বেসিসের সদস্যরা আমাকে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করে সেবা করার সুযোগ দিলে আমার প্রথম লক্ষ্য হবে বেসিসের জন্য একটি নিজস্ব স্থায়ী ভবন নির্মাণ করা। এই ভবন শুধু ইট-পাথরের কাঠামো হবে না, বরং বাংলাদেশের বিশ্বমানের আইসিটি সক্ষমতা ও ব্র্যান্ডিংয়ের প্রতীক হিসেবে গড়ে উঠবে। দেশের সফটওয়্যার খাতকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরা এবং বাংলাদেশকে প্রযুক্তির নতুন ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সবাইকে নিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।”

সভাপতি প্রার্থী ইকবাল রাসেল বলেন, “বেসিস নির্বাচন সুষ্ঠু, স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক হওয়া উচিত, যেখানে প্রতিটি ভোটারের মতামত সম্মানের সঙ্গে প্রতিফলিত হবে। আমার বিশ্বাস, একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ বেসিস গঠনের ভিত্তি।”

সভাপতি নির্বাচিত হলে অগ্রাধিকার সম্পর্কে ইকবাল রাসেল বলেন, “সদস্যসেবার মান উন্নয়ন, সফটওয়্যার রপ্তানি ও দেশীয় প্রযুক্তি শিল্পের প্রসার, স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনে সহায়তা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, চাকরির বাজার সম্প্রসারণ এবং সরকারের সঙ্গে কার্যকর নীতিগত সমন্বয়ের মাধ্যমে বেসিসকে আরও শক্তিশালী ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক সংগঠনে পরিণত করা হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।”

ইত্তেফাক/আরআর