আমিনবাজারের বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতি ইউনিটে ২৫ টাকা খরচ হলেও, শুধু উৎপাদন ব্যয় দিয়ে পুরো প্রকল্পটির মূল্যায়ন করা ঠিক হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। তিনি জানান, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব কমানোর সুফলও এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে পটুয়াখালী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ প্রকল্পের ব্যয় নিয়ে চলা সমালোচনার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমিনবাজার থেকে ৮২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতি ইউনিটে ২৫ টাকা খরচ নিয়ে অনেকেই নানা মন্তব্য করছেন। সোশ্যাল মিডিয়া একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম হওয়ায় সেখানে যে কেউ মতামত দিতে পারেন। তবে সচেতন নাগরিক হিসেবে কোনো বিষয়ে লেখার আগে গুগল, ইউটিউব বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তা নিয়ে একটু গবেষণা করা উচিত বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ বেশি মনে হলেও এর বহুমুখী সুফল রয়েছে উল্লেখ করে নুরুল হক নুর বলেন, বর্জ্য বায়ুদূষণের মাধ্যমে মানবদেহের যে মারাত্মক ক্ষতি করে, তার আর্থিক ক্ষতি কয়েক মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। সেই ক্ষতি রোধ করে বর্জ্যকে বিদ্যুতে রূপান্তর করা অত্যন্ত ইতিবাচক একটি অর্জন। এখানে খরচ যেমন আছে, তেমনি পরিবেশগত ও স্বাস্থ্যগত বড় উপকারিতাও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারের আমলে কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের নামে লুটপাট বা ক্যাপাসিটি চার্জের যে সংস্কৃতি ছিল, এই প্রকল্পের সঙ্গে তার কোনো তুলনাই চলে না।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী পটুয়াখালী ইপিজেড প্রকল্পের বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ও বাস্তবায়নের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

