বাংলাদেশকে প্রায় ৩০ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৩৮

দেশের দুর্গম অঞ্চলসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মাতৃ, নবজাতক ও শিশুস্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করতে প্রায় ২৯ কোটি ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকা (২৪ লাখ মার্কিন ডলার) মূল্যের চিকিৎসা সরঞ্জাম ও উপকরণ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। জীবনরক্ষাকারী এসব সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে নবজাতকের শরীর উষ্ণ রাখার যন্ত্র, কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাসের সরঞ্জাম, মারাত্মক অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের জন্য থেরাপিউটিক ফুড এবং জীবনরক্ষাকারী টিকার কার্যকারিতা বজায় রাখার কোল্ড চেইন উপকরণ।

সোমবার (৩১ আগস্ট) পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। পরিদর্শনকালে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।

এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. মো. মিজানুর রহমানের কাছে মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবাবিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ মডেল হস্তান্তর করেন।

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ঢাকার মুখপাত্র পূর্ণিমা রাইয়ের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে FHI 360, Jhpiego, JSI ও ইউনিসেফের মাধ্যমে এসব সরঞ্জাম ও উপকরণ দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। দুর্গম এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোও এ সহায়তার আওতায় রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাস্তবভিত্তিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য খাতের উদ্ভাবন এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ‘আমেরিকা ফার্স্ট গ্লোবাল হেলথ স্ট্র্যাটেজি’ বাস্তবায়নে এ সহায়তা ভূমিকা রাখছে। দেশজুড়ে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এর আগে সকালে তিন দিনের উত্তরাঞ্চল সফরের দ্বিতীয় দিনে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট পরিদর্শন করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডিয়ান ডাও, মার্কিন দূতাবাস বাংলাদেশের ডেপুটি চিফ অব মিশন মেগান বোল্ডিনসহ দূতাবাসের প্রতিনিধিরা।

বাংলাদেশের সর্বউত্তরের স্থলবন্দর বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে কিছু সময় অবস্থান করেন তারা। এ সময় সীমান্ত এলাকার পরিবেশ ও চারপাশের সবুজ প্রকৃতি উপভোগ করেন রাষ্ট্রদূত ও তার সহধর্মিণী। সীমান্তের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে তারা মুগ্ধ হন এবং সেখানে ছবি তোলেন।

 

ইত্তেফাক/এসএইচ