আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতাযুদ্ধে ১১ ই বেঙ্গল, ৩ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেছি। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১-এ আমার ইউনিট ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার চান্দুরায় সম্মুখ যুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ১১ জন সৈনিককে জীবিত অবস্থায় ধরতে সক্ষম হয়। আমার গ্রামের ডাকঘর স্থাপিত হয় ১৯৬৫ সালে। তখনকার পিএমজি ডাকঘরটির আগে ‘পাক’ শব্দটি উল্লেখ করেন। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ডাকঘরের নাম ‘পাক বাঙ্গরা’ পরিবর্তন করে তার স্থলে ‘বীর বাঙ্গরা’ করার জন্য বর্তমান সরকার ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মো. রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা,
গ্রাম: বাঙ্গুরা, ডাকঘর: পাক বাঙ্গরা, থানা: নবীনগর, জেলা: ব্রাহ্মণবাড়ীয়া
