বাকেরগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রগুলোতে চিকিত্সক, কর্মকর্তা-কর্মচারী সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মঞ্জুরিকৃত ১৯ জন বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের বিপরীতে স্বাস্থ্য প. প. কর্মকর্তাসহ দুই জন চিকিত্সক দিয়ে চলছে স্বাস্থ্যসেবা। চিকিত্সক সংকট ছাড়াও কর্মকর্তা-কর্মচারী সংকটও প্রকট আকার ধারণ করেছে বলে এ কার্যালয় নিশ্চিত করেছে। ৪র্থ শ্রেণির অধিকাংশ পদ শূন্য থাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার যথাযথ প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ভুক্তভোগীদের মধ্যে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রের মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য প.প. কর্মকর্তা, আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার, কনসালটেন্ট, মেডিক্যাল অফিসার, এম ও সহ মঞ্জুরিকৃত ২৫টি চিকিত্সক পদের বিপরীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই জন ডাক্তার ও হোমিওপ্যাথিক, ডেন্টাল টেকনোলজিস্টসহ চার জন এবং আটটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে দুই জন মেডিক্যাল অফিসার দিয়ে দায়সারাভাবে চলছে রোগীদের সেবা কার্যক্রম। সর্বমোট ১৬৫টি মঞ্জুরিকৃত পদ থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ ৩৯টি পদই শূন্য। তাছাড়া সিএইচসিপি উন্নয়ন খাতে শূন্য পদ রয়েছে ছয়টি এবং উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চরামদ্দি, দুর্গাপাশা, লক্ষীপাশা, গারুড়িয়া, চামটা, ভরপাশায় কোনো মেডিক্যাল অফিসার নেই। মিডওয়াইফ, স্যাকমো, ফার্মাসিস্ট, এমএলএসএস-এর ও অধিকাংশ পদই খালি রয়েছে।
ভুক্তভোগী হনুফা বেগম জানান, এই হাসপাতালে সার্বক্ষণিক ডাক্তার পাওয়া যায় না, যারা আছেন তাদের পক্ষেও এত রোগীদের চিকিত্সা দেওয়া অসম্ভব, অনেক রোগী দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে বিরক্ত হয়ে চলে যায়।
উপজেলা স্বাস্থ্য প. প. কর্মকর্তা এস এম মনিরুজ্জামান শাহীন জানান, প্রতিদিন প্রায় ৩০০ রোগীর আউটডোরে চিকিত্সা দিতে হয়। কমপ্লেক্সে ভর্তি থাকে ৩৫/৪০ জন, এ অবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে দুই জন ডাক্তারকে হিমশিম খেতে হয়।
