গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের মিছিল: গ্রেপ্তার ২৪ আসামির ১০ দিনের রিমান্ড

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:১৩

রাজধানীর গুলশানে সরকার বিরোধী মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২৪ নেতাকর্মীর ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

রিমান্ডে পাঠানো আসামিরা হলেন- মো. রহিম, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. আলমগীর হোসেন, সাব্বির হোসেন, কামরুল হাসান, মো. মুন্না মিয়া, সামিন ইয়াসার (সাফায়াত), মো. রাসেল, এইচ এম জাকারিয়া রহমান, মিনহাজুল ইসলাম ফাহাদ, সোহেল আহমেদ, মো. সোহরাব, মো. হযরত আলী, মো. আক্তারুল ইসলাম মাসুদ, চাঁন মিয়া, মো. হাবিব সিকদার, মো. জহির হোসেন, মেহেদী হাসান, কবির ভান্ডারী, বাবুল গোপ, মো. ফরিদ আহমেদ, ইন্দ্রনীল দেব শর্মা, মো. নজরুল ইসলাম ও মাসুদ হাসান শামীম।

এদিন গ্রেপ্তার ২৫ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর পাঁচ কারণে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক রুহুল আমিন তাদের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। 

শুনানিতে তিনি জানান, মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং মূল রহস্য উদঘাটন করা প্রয়োজন। এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী সনাক্ত ও গ্রেপ্তার, ষড়যন্ত্রকারী ও অর্থের যোগানদাতা সম্পর্কে তথ্য জানতে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন। এ ছাড়া জড়িত অপরাপর আসামিদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে ১০ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। 

এসময় আসামিপক্ষে আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ২৪ আসামির ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে আরাফাত নামে একজনকে শিশু হিসেবে দাবি করায় রোববার কাগজপত্র দাখিল ও অধিকতর শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুলশান থানার ৩ নম্বর সড়কে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অজ্ঞাতনামা ৮০ থেকে ১০০ জন নেতা-কর্মী পাকা রাস্তার ওপর জড়ো হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য বহন করে পুলিশ প্লাজার দিকে মিছিল নিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় তারা নির্বাচিত সরকারের ভাবমূর্তি নস্যাৎ ও এলাকায় নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

ইত্তেফাক/এমএসআর