জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতৃত্বে বাকের-তাহমীদ, ঢাবিতে হাসিব-আইয়াম

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রথম জাতীয় কাউন্সিলে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সংগঠনটির সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার সভাপতি তাহমীদ আল মুদাসসীর চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আবু তৌহিদ মো. সিয়াম।

একই দিনে সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রথম কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন হাসিব আল ইসলাম। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফেরদৌস আইয়াম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মো. জহির রায়হান রিপন।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রথম জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। একই স্থানে সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কাউন্সিলও অনুষ্ঠিত হয়। কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়।

জাতীয় কাউন্সিলে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আবু বাকের মজুমদার ও সদ্য বিদায়ী সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহফুজ খান। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তাহমীদ আল মুদাসসীর চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি লিমন হাছান ও দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক (উত্তরাঞ্চল) আবু তৌহিদ মো. সিয়াম, ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামলী সুলতানা জেদনী ও মো. জহিরুল ইসলাম। এ পদে শ্যামলী সুলতানা জেদনী ছিলেন একমাত্র নারী প্রার্থী। তিনি এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের স্ত্রী।

অন্যদিকে জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কাউন্সিলে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন হাসিব আল ইসলাম, মো. মহিউদ্দিন ও সাকিবুল হাসান। ভোটে হাসিব আল ইসলাম সভাপতি নির্বাচিত হন।

সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ফেরদৌস আইয়াম ও মোহাম্মদ সাকিব। এ পদে ফেরদৌস আইয়াম নির্বাচিত হন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. জহির রায়হান রিপন একক প্রার্থী হওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রথম জাতীয় কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ছিল। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম বিস্তারের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।

নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নেওয়ার পর সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, শিক্ষার্থীদের অধিকার ও বিভিন্ন শিক্ষাবিষয়ক ইস্যুতে সক্রিয় ভূমিকা রাখা এবং সারাদেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

 
ইত্তেফাক/এমএস