রাজস্থলীতে সেনা সদস্য নিহতের ঘটনায় রাজস্থলী-চন্দ্রঘোনা-বান্দরবান সড়কে যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযান ও টহল জোরদার করা হয়েছে। গত রবিবার বিকাল থেকেই রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার মো. আলমগীর কবীরের নির্দেশে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের কার্যক্রম জোরদার করা হয়। গতকাল সোমবার ভোর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কাপ্তাই সার্কেল) মো. জুনায়েত কাওছারের নেতৃত্বে কাপ্তাই, চন্দ্রঘোনা ও রাজস্থলী এলাকায় টহল, সাতটি অস্থায়ী চেকপোস্ট ডিউটির পাশাপাশি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এদিকে, চন্দ্রঘোনা-রাজস্থলী ও রাজস্থলী-বান্দরবান সড়কে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আতঙ্কে ঘর থেকে তেমন কাউকে অপ্রয়োজনে বের হতে দেখা যায়নি। উল্লেখ্য, গত রবিবার সকালে সেনাবাহিনীর একটি টহল দলের ওপর গুলি চালায় সন্ত্রাসীরা। এতে সেনা সদস্য মো. নাসিম (১৯) গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান। পরে সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকটি দল ঐ এলাকা তল্লাশি চালায়। বিকালের দিকে তল্লাশির সময় স্থলমাইন বিস্ফোরণ হয়ে ক্যাপ্টেন মেহেদী ও সৈনিক মুহসীন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে হেলিকপ্টার যোগে চট্টগ্রাম সিএমএইচে নিয়ে যাওয়া হয়।
মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা জানান, নিহত সেনা সদস্য নাসিমের বাড়ি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায়। তারাটি পূর্বপাড়ার বাসিন্দা কৃষক বিল্লাল হোসেনের ছেলে নাসিমের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার পর পরিবারে চলছে শোকের মাতম। বাবা বিল্লাল হোসেন, মা, বড়ো ভাই নইম আহমেদ বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। নাসিমের সহপাঠী বাল্যবন্ধু একই গ্রামের মারুফ জানান, গতকাল তার লাশ নিয়ে আসা হয়। তারাটি পূর্বপাড়া প্রাইমারি স্কুল মাঠে তার জানাজা হয় ।
