জড়িতদের চিহ্নিত করতে কমিশন করবে সরকার:আইনমন্ত্রী

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০১৯, ২৩:৫৯

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করতে একটি কমিশন গঠনের ব্যাপারে সরকার নীতিগতভাবে একমত বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি জানান, এই কমিশন হবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান। কারণ এটি অত্যন্ত গুরুদায়িত্ব পালন করবে। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা একসঙ্গে বসে কমিশনের কর্মপরিধি নির্ধারণের পাশাপাশি এর চেয়ারম্যান ও সদস্য মনোনয়নের সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি বলেন, খুব শিগগিরই আমি এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করব এবং আলোচনার পর যে সিদ্ধান্ত সমষ্টিগতভাবে নেওয়া হবে তা সংবাদ মাধ্যমকে জানানো হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আইন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গতকাল সোমবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে সরকারি শিশু পরিবারের শিশুদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে তিনি বলেন, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ও পলাতক সকল আসামিকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে সরকার। তিনি বলেন, নিশ্চয়ই তারেক রহমানকে ফিরিয়ে এনে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন এবং মানি লন্ডারিং মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড প্রদানের রায় কার্যকরের চেষ্টা সরকার চালিয়ে যাচ্ছে এবং চালিয়ে যাবে। তিনি বলেন, বিএনপি আসলে বাংলাদেশে বিশ্বাস করে না। যখনই তারা ক্ষমতায় গেছে তখনই তারা দেশের স্বার্থবিরোধী কাজ করেছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, বিএনপি মুজাহিদ ও নিজামীকে মন্ত্রী বানিয়েছে। শাহ আজিজুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করেছে। ইনডেমনিটি অর্ডিনেন্স করেছে। তিনি বলেন, আজকেও তারা বিদেশিদের সঙ্গে কথা বলার যে হুমকি দিচ্ছে, সেটিও তাদের সেই রাজনীতিরই ধারাবাহিকতা।

অনুষ্ঠান শেষে তিনি শিশু পরিবারের দেড় শতাধিক অবহেলিত ও সুবিধা বঞ্চিত শিশুর মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন কার্যক্রম পরিদর্শন এবং শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

অনুষ্ঠানে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারোয়ার এবং তেজগাঁও সরকারি শিশু পরিবার ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বক্তৃতা করেন।