ময়মনসিংহ

জামায়াতের গণসংযোগে হামলার অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:৩৮

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে জামায়াতের গণসংযোগে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দক্ষিণ জেলা যুবদলের সদস্য ইয়াছিন খানকে দায়ী করেছেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। এতে ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্তত পাঁচজন আহতের দাবি করা হয়েছে জামায়াতের পক্ষ থেকে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার নিগুয়ারী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের অললি বাঁশতলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জামায়াতের নেতাকর্মীরা জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নিগুয়ারী ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি শফিকুল ইসলাম হিরণ খানের নেতৃত্বে একটি দাওয়াতী টিম এলাকায় গণসংযোগে বের হয়। টিমটি অললি বাঁশতলী বাজার এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় যুবদল নেতা ইয়াসিন খানের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

হামলায় নিগুয়ারী ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি শফিকুল ইসলাম হিরণ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মাওলানা আশরাফুল ইসলাম এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মাওলানা আব্দুল আজিজ আহত হয়।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তবে মাওলানা আবদুল আজিজ ও মাওলানা আশরাফুল ইসলামের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা ইসমাইল হোসেন সোহেল অভিযোগ করে বলেন, ‘যুবদল নেতা ইয়াসিনের প্রত্যক্ষ নির্দেশে তার সশস্ত্র সন্ত্রাসী অনুসারীরা আমাদের শান্তিপূর্ণ গণসংযোগে হামলা চালিয়েছে।’

তিনি অবিলম্বে এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা যুবদলের সদস্য ইয়াছিন খান বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্তা নাই। তবে, যেসব ছবি ছড়ানো হয়েছে- এগুলো এআই দিয়ে তৈরি।

দক্ষিণ গফরগাঁও থানার ওসি মনিরুজ্জামান সেখ জানান, জামায়াতের গণসংযোগে কিছু লোক বাধা সৃষ্টি করেছে বলে খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/এপি