চিতলমারীতে কতিপয় প্রভাবশালী ২০টি খাল ও বিলে বাঁশের পাটা দিয়ে অবৈধভাবে মাছ শিকার করছে। এভাবে সরকারি জলাশয়ে মাছ শিকারের কারণে খাল-বিলের পানি প্রবাহে চরম বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে নদীতে ঠিকমতো পানি ওঠানামা করতে না পারায় সামান্য বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে চিংড়িঘের তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় মাছচাষিরা ক্ষোভের সঙ্গে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
মাছচাষি হরেন্দ্র নাথ বাড়ৈ, বিকাশ বাড়ৈ, হরেন্দ্র নাথ রানা, শংকর হালদার ও ভঞ্জন মণ্ডল জানান, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমের শুরুতে স্থানীয় প্রভাবশালীরা খিলিগাতীর কাটাখালির খাল, সীমানার খাল, রায়গ্রামের নারানখালির খাল, বাঁশতলার খাল, ডুমুরিয়ার দাড়ার খাল, বড়ো কাটাখালীর খাল, বসন্দরী খাল, খড়িয়ার আমতলীর খাল হরিখালীর খাল, বেন্নবাড়ির খাল, সোনাখালীর খাল, বারাশিয়ার খাল, ঝালডাঙ্গার ডোঙার, পারডুমুরিয়ার নকির, মাঝিবাড়ির ও সিংগা বিলার খালসহ ২০টি খালে বাঁশের পাটা দিয়ে অবৈধভাবে মাছ শিকার করে আসছেন। সরকারি জলাশয়ে এভাবে মাছ শিকারের কারণে খাল-বিলের পানি প্রবাহে চরম বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। তাই নদীতে ঠিকমতো পানি ওঠানামা করতে না পারায় সামান্য বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে চিংড়িঘের তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উপজেলা সিনিয়র মত্স্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রিগান জানান, মত্স্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী সরকারি জলাশয়ে মাছের অবাধ বিচরণে বাধা সৃষ্টিকারী ও মাছের প্রাণনাশকারীদের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মারুফুল আলাম জানান, সরকারি জলাশয় থেকে মাছ শিকারের অবৈধ উপকরণ উঠিয়ে নিতে এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে এগুলো উঠিয়ে না নিলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
