খাগড়াছড়ির রামগড়ে গরু ছিনতাইয়ের মামলায় পৌর ও মাদ্রাসা ছাত্রলীগের দুই সহসভাপতিসহ সাত জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ। আলোচিত এ ঘটনার মাত্র ১২ দিনের মাথায় আসামিদের বিরুদ্ধে এ চার্জশিট দেওয়া হলো। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রামগড় থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মুজিবুর রহমান সোমবার এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
যাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় তারা হলেন—রামগড় পৌর ছাত্রলীগের সহসভাপতি ও কমপাড়া এলাকার মো. কামরুল হাসান, রামগড় গণিয়াতুল সিনিয়র মাদ্রাসার ছাত্রলীগের সহসভাপতি ও চৌধুরীপাড়ার শওকত হোসেন, মাস্টারপাড়ার মামুন প্রকাশ পিচ্চি মামুন, চৌধুরীপাড়ার নূরুল হুদা, একই এলাকার রায়হান আহম্মদ হূদয় প্রকাশ বাবু, দক্ষিণ গর্জনতলীর মো. রমজান আলী ও শ্মশানটিলার নুরুন নবী বাবু (২১)। এদের মধ্যে কামরুল, শওকত ও নুরুন নবী গ্রেফতার হয়ে জেলহাজতে আছে। অপর চার জন বর্তমানে পলাতক। এজাহারনামীয় অপর দুই আসামি একরামুল হক শান্ত ও মো. তারেক রহমান কিশোর অপরাধী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে আলাদাভাবে দোষীপত্র দাখিল করা হয়েছে।
জানা যায়, গত ২ আগস্ট কোরবানির হাটে বিক্রি করার জন্য আনুমানিক ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা মূল্যের দুইটি ষাঁড় ও বলদ গরু ভুজপুরের বাগানবাজারে নেওয়ার পথে রামগড়ের ফেনীরকূল মহামুনি এলাকায় পৌঁছামাত্র চার্জশিটভুক্ত আসামিরা মালিকের হাত থেকে জোরপূর্বক গরুগুলো ছিনিয়ে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঐদিনই পৌর এলাকার গোলটিলা নামক স্থান থেকে ছিনতাই করা গরু দুইটি উদ্ধার করে। এ ছিনতাইয়ের ঘটনায় গরুর মালিক অংথৈ মগ বাদি হয়ে রামগড় থানায় ২ আগস্ট একটি মামলা দায়ের করেন।
এদিকে, গরু ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ও চার্জশিটভুক্ত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন রামগড় উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মো. কাউছার হাবিব শোভন।
