নীলফামারীসহ উত্তরের জেলাগুলোতে শুরু হয়েছে ভাদর কাটানি

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০১৯, ২১:২৮

নীলফামারীসহ উত্তরের রংপুর বিভাগের আটটি জেলায় শুরু হয়েছে ভাদর কাটানি উত্সব। পঞ্জিকার পাতা অনুযায়ী ১ ভাদ্র এ ভাদর কাটানি উত্সব শুরু হয়েছে। এ সময়টা স্বামীর মঙ্গল কামনায় নববধূরা শ্বশুরবাড়ি থেকে বাপের বাড়িতে চলে আসেন। আদিকাল থেকে এই প্রথা চলে আসছে নীলফামারীসহ রংপুর বিভাগের জেলাগুলোতে।

এদিকে এবার কোরবানি ঈদের পর ভাদর কাটানি শুরু হওয়ায় নতুন মাত্রা পেয়েছে। যারা মনেপ্রাণে বাঙালির রীতিনীতি ও প্রথা মানার চেষ্টা করেন তাদের নিয়মের ভেতরেই রয়েছে ভাদর কাটানি প্রথা। এ সময় স্বামীর মুখ দর্শন করলে নাকি স্বামীর অমঙ্গল হয়। তাই এই প্রথা থেকে ভাদর কাটানি উত্সব চালু হয়েছে বলে জানান সৈয়দপুর কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও কথা সাহিত্যিক হাফিজুর রহমান হাফিজ। তিনি বলেন, ভাদর কাটানি উত্সবের উত্স খুঁজতে পথে-প্রান্তরে  বেড়িয়েছি। কিন্তু এর কোনো ভিত্তি নেই। আগের লোকেরা এটা মেনে চলেছেন তাই এ যুগের নারীরাও প্রথাটি বজায় রেখেছেন।

ভাদ্র মাসে নীলফামারী, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, রংপুর, গাইবান্ধা ও জয়পুরহাট জেলায় ভাদর কাটানির রেওয়াজের পাশাপাশি আরো একটি প্রবণতা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, আর তা হলো প্রতিবছর ভাদ্র মাস শুরু হওয়ার আগে শ্রাবণে বিয়েরও ধুম পড়ে যায়। যা অনেকটা প্রতিযোগিতার মতোই। এরপর পুরো ভাদ্র মাসই বিয়ে বন্ধ থাকে।