ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় আসমাকে

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০১৯, ২২:০৬

কমলাপুর রেল স্টেশনে ট্রেনের একটি পরিত্যক্ত বগির ভেতরের টয়লেটে আসমা খাতুন নামে যে কিশোরীর লাশ পাওয়া গেছে, তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। এক জন নাকি একাধিক ব্যক্তি এই ধর্ষণ ও হত্যার সঙ্গে জড়িত, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে আসমার লাশের ময়নাতদন্ত শেষে প্রভাষক ডা. প্রদীপ বিশ্বাস এসব তথ্য জানিয়েছেন।

ময়নাতদন্তকারী চিকিত্সক বলেন, ‘ময়নাতদন্তের সময় তার গলায় দাগ পাওয়া গেছে। তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার আগে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল, যা আলামতে পাওয়া গেছে। তবে মেয়েটি এক জন নাকি একাধিক ব্যক্তির দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে, তা রক্ত, টিস্যু ও ভিসেরা রিপোর্টের পর বলা যাবে। এ পরীক্ষার জন্য আমরা তার টিস্যু, রক্ত ও ভিসেরা সংগ্রহ করেছি।’ এর আগে সোমবার সকালে কমলাপুর রেল স্টেশনে ট্রেনের পরিত্যক্ত বগির টয়লেট থেকে আসমার লাশ উদ্ধার করা হয়। আসমার পরিবারের দাবি, গত ১৮ আগস্ট থেকে নিখোঁজ ছিল আসমা। আসমা পঞ্চগড় সদর উপজেলার শিংপাড়া এলাকার কনপাড়ার ভ্যানচালক আব্দুর রাজ্জাক মিয়ার মেয়ে। সে স্থানীয় খান বাহাদুর মখলেছুর রহমান মাদ্রাসা থেকে এবার দাখিল পাশ করেছে। এরপর পরিবারের আর্থিক অনটনে তাকে আর কলেজে ভর্তি করা হয়নি।