পর্তুগালের কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে বিরোধের পর জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দল ছাড়ার পর থেকেই বিষয়টি পর্তুগালের সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যা নিয়ে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) উয়েফা নেশনস লিগে ডেনমার্কের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নামছে পর্তুগাল।
ঘটনার সূত্রপাত নরওয়ের বিপক্ষে পর্তুগালের সর্বশেষ ম্যাচকে ঘিরে। ২-১ ব্যবধানে জয় পেলেও পুরো ম্যাচে বেঞ্চে বসে থাকতে হয় রোনালদোকে। বিষয়টি ভালোভাবে নেননি আল-নাসরের এই তারকা।
নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচের পর অনুশীলনেও যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানান রোনালদো। পরে কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। বৈঠকের পর মনে হয়েছিল, দুজনের মধ্যে তৈরি হওয়া উত্তেজনার অবসান হয়েছে।
কিন্তু ডেনমার্ক ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে জেসুসের বক্তব্য পরিস্থিতিকে আবারও উত্তপ্ত করে তোলে। পর্তুগালের কোচ স্পষ্ট করে জানান, কোনো খেলোয়াড় তার কৌশল বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারবেন না, এমনকি ফুটবলের অন্য কেউও তার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারবেন না।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) পর্তুগালের সংবাদপত্র ‘রেকর্ড’-এর বরাত দিয়ে গোল ডটকম জানায়, বিষয়টি এবার দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের সর্বোচ্চ পর্যায়েও পৌঁছে গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টেনেগ্রো পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি পেদ্রো প্রোয়েনসার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। রোনালদোর দল ছাড়ার ঘটনায় কোচ জেসুসের সঙ্গে বৈঠকের ব্যবস্থা করতেই তিনি এই যোগাযোগ করেন বলে দাবি করেছে সংবাদমাধ্যমটি।
প্রধানমন্ত্রী মন্টেনেগ্রোর সঙ্গে জেসুসের ভালো সম্পর্ক রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই পরিস্থিতি নিয়ে কোচের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে চান প্রধানমন্ত্রী। তবে এখানেই শেষ নয়। টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ‘এসআইসি’ আরও এক ধাপ এগিয়ে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মন্টেনেগ্রো নাকি রোনালদোর সঙ্গেও সরাসরি কথা বলেছেন।
