সর্বোচ্চ তিন মাসের মধ্যে গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়ার বাস টার্মিনাল কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়ায় স্থানান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, চুনকুটিয়ার ঝিলমিল প্রজেক্টে ১০ একর জায়গায় ডিপো তৈরির কাজ শুরু হয়েছে, কাজ শেষ হলেই ফুলবাড়িয়া এবং গুলিস্তানের বাসগুলো সেখানে স্থানান্তর করা হবে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) মহাখালী টার্মিনালের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ‘উন্নয়ন কার্যক্রম’ পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেছেন। মহাখালী টার্মিনালের বাস পূর্বাচলের ডিপোতে স্থানান্তর প্রক্রিয়ার মতোই ফুলবাড়িয়া ও গুলিস্তানের বাস নিয়ে পরিকল্পনা এবং তা বাস্তবায়নের বিষয়ে কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার।
চুনকুটিয়াতে ঝিলমিল প্রজেক্টে ডিপো হিসেবে ১০ একর জায়গা পাওয়ার কথা জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঝিলমিলে সরকার ইতোমধ্যে আমাদেরকে অনুমতি দিয়েছে, আমরা সেখানে ডিপোর কাজ শুরু করেছি। রাজউকের মাধ্যমে সেখানে আরও প্রায় ৭৫ একর জায়গা পাওয়া যাবে। সেই জায়গায় স্থায়ীভাবে টার্মিনাল এবং ডিপো স্থাপন করা হবে। সেখানে দক্ষিণবঙ্গগামী ১৯টি জেলার সব পরিবহন, ট্রাক এবং বাদামতলী আড়তের ট্রাক স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।
কত দিনের মধ্যে এটি সম্ভব হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা সর্বোচ্চ তিন মাস সময় নিয়েছি। আমরা আশা করছি, কাজ এই তিন মাসের মাঝেই শেষ হবে। কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুলবাড়িয়া এবং গুলিস্তানের বাস সেখানে শিফট করা হবে।
মহাখালী টার্মিনালের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে ডিএমপি কমিশনার বলেন, এটা একটা শৃঙ্খলাবদ্ধ নিয়মের মধ্য দিয়ে চলবে। কেউ সামান্য অনিয়মের চেষ্টা করলেও আমরা কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেব।
