তারেকসহ যাবজ্জীবন দণ্ডিতদের বিরুদ্ধে আপিল করেনি রাষ্ট্রপক্ষ

আপডেট : ২১ আগস্ট ২০১৯, ০০:১৯

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ১৪ বছর পর বিচারের প্রথম ধাপ পেরিয়েছে। ঐ ধাপের বিচারে দুইটি মামলায় ১৯ আসামিকে ডাবল মৃত্যুদণ্ড এবং ১৯ জনকে ডাবল যাবজ্জীবন দণ্ড দেয় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১। তবে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরীসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে আজ পর্যন্ত আপিল করেনি রাষ্ট্রপক্ষ।

এ প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, আপিল করার জন্য আমাদের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। যার কারণে সাজা বৃদ্ধি চেয়ে আপিল করা হয়নি। তিনি বলেন, পেপারবুক তৈরির

পরেই দ্রুত ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, একটা হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে সব আসামির একইরকম সাজা নাও হতে পারে। কাজেই আদালত কোন যুক্তিতে তাকে (তারেক) মৃত্যুদণ্ড দেয়নি। সেটা না দেখে বলা সম্ভব না।

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা ও বিস্ফোরক মামলায় গত বছরের ১০ অক্টোবর সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবর ও আব্দুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে ‘ডাবল’ মৃত্যুদণ্ড দেয় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১। দণ্ডিতদের মধ্যে অধিকাংশই দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ নেতা। একই অপরাধে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরীসহ ১৯ জনকে ‘ডাবল’ যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়। বিভিন্ন মেয়াদে লঘু দণ্ড দেওয়া হয় আরো ১১ জনকে। দণ্ডিতদের মধ্যে ২৪ জন হাইকোর্টে ৪৮টি আপিল দাখিল করেছেন। পেপারবুক প্রস্তুত হলে ডেথ রেফারেন্সের সঙ্গে এসব আপিলের একসঙ্গে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।