বছর জুড়ে এডিস মশা নিধন ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো কর্মপরিকল্পনা রয়েছে কি না তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। বিষয়টি জেনে আগামী সোমবার আদালতকে অবহিত করতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এই আদেশ দেন।
আদালত বলেছে, এ বছর যেহেতু মশার প্রকোপ দেখা দিয়েছে সেটা যে আগামীতে হবে না তার তো কোনো নিশ্চয়তা নেই। এজন্য মশা নিধন ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারের কর্মপরিকল্পনা থাকা দরকার। যেমনটা কলকাতায় রয়েছে। তারা মশা নিধনে এরিয়াল স্প্রে করে থাকে। আদালত বলে, মশা নিধনে সিটি করপোরেশনগুলো নতুন ওষুধ ছিটাচ্ছে। কিন্তু এ বছর অনেক আগে থেকেই বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছিল এডিস মশার প্রকোপ নিয়ে। কিন্তু সিটি করপোরেশনগুলো তা আমলে নেয়নি। এক্ষেত্রে দুই সিটির অবহেলা রয়েছে। শুরুতেই স্থান নির্ধারণ করে মশা নিধনে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল।
এর আগে স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাইনুল হাসান আদালতে বলেন, মশা নিধনে ও সচেতনতা সৃষ্টিতে উত্তর সিটি করপোরেশনকে প্রায় ১ হাজার ৬০০ এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে ২ হাজার ২০০ অতিরিক্ত জনবল নিয়োগে আদেশ প্রদান এবং ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ পর্যায়ে আদালত বলে, মশা তো কমছে না। প্রতিদিনই প্রায় ২ হাজারের কাছাকাছি লোক ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।
উত্তর সিটি করপোরেশনের আইনজীবী তৌফিক ইনাম টিপু বলেন, ৪০ হাজার লিটার নতুন ওষুধ ক্রয় করা হয়েছে। আগস্ট মাস থেকে এই ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। আদালত বলে, নতুন ওষুধে মশা কি মরছে? আইনজীবী বলেন, অনেকটা কার্যকর।
