রাস্তার পাশের ছোট দোকান। ঠেলাগাড়ি বা ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকান। বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের ?ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ পাওয়া যাবে এসব স্টলে। অনেক ব্যয়বহুল রেস্তোরাঁতেও হয়ত যার স্বাদ পাওয়া যাবে না। সাধারণের সাধ্যের মধ্যেই পাওয়া যায় এ খাবারগুলো। পথের খাবারের জন্য জনপ্রিয় কয়েকটি শহর নিয়ে আজকের আয়োজন

গ্রিস
গ্রিসের রেস্টুরেন্ট কিংবা পথের খাবারেও রয়েছে নিজস্বতার ছোঁয়া। গ্রিসের নাগরিকরা রেস্টুরেন্টের খাবার যেমন ভালোবাসে তেমনই পথের খাবারও ভালোবাসে। গ্রিক বার্গার, সোয়ুবলাকি, ডোলমাডিস, পেনিরলি পাইডি, গ্রিক স্যালাদ বেশ জনপ্রিয়।
কলকাতা
কলকাতার বিবাদী বাগ, ডেকার্স লেন, পার্ক স্ট্রিট, বিবেকানন্দ পার্ক প্রভৃতি জায়গায় আপনি পাবেন মজাদার সব স্ট্রিট ফুড। পানিপুড়ি, দই ফুচকা, কাঠি রোল, কচুরি ও সবজি, পাপড়ি চাট, কুলফি কলকাতায় বেশ জনপ্রিয়।

টোকিও, জাপান
বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরগুলোর একটি হলো জাপানের টোকিও। এ শহর বিখ্যাত তার ব্যয়বহুল রেস্তোরাঁগুলোর জন্য। তবে এখানে জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড। টোকিওর রাস্তাতেও দোকানিরা খাবারের পসরা সাজিয়ে বসেন। ভিড় থাকে ভোজনরসিকদের। তাদের পছন্দের তালিকায় থাকে গ্রিল মাংস, ভাজা মাছ বা সবজি।
মারাকেশ, মরক্কো
মরক্কোর রাস্তাগুলোতে হাঁটলে খাবারের সুগন্ধি মাতিয়ে রাখে পথচারিদের। এর মধ্যে শীর্ষে মারাকেশ। একে এক কথায় ‘স্ট্রিট ফুড’-এর শহরও বলা হয়। জামিয়া-আল-ফনা স্কয়ারে প্রতিদিন সন্ধ্যায় বসে স্ট্রিট ফুডের বাজার। যেখানে ক্রেতাদের ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো।
সিডনি, অস্ট্রেলিয়া
বিশ্বের অন্যতম উন্নত শহর সিডনি। এখানকার মানুষের সেরা পছন্দ স্ট্রিট ফুড। তবে সিডনিতে স্ট্রিট ফুড স্টলগুলোর অধিকাংশ তাজা সি ফুডের জন্য বিখ্যাত। ফিশ ফ্রাই সিডনির বাসিন্দাদের প্রথম পছন্দ। কাঁকড়া ভাজা বা অক্টোপাসের বারবিকিউ সেখানকার অন্যতম আকর্ষণ।
