একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত ধাপের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে আবেদন করেও কলেজ পায়নি ৫ হাজার ১২৯ জন শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া ৩২১ জনও রয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে একাদশে ভর্তির নির্ধারিত ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান ফলাফলের সারসংক্ষেপ নিশ্চিত করেছেন।
ফলাফল বিশ্লেষণে জানা যায়, দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত ধাপে মোট ১ লাখ ৮৪ হাজার ৪৬৯ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছিল। তাদের মধ্যে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩৪০ জন। অন্যদিকে আবেদন জটিলতা ও কলেজ পছন্দের সীমাবদ্ধতার কারণে ৫ হাজার ১২৯ জন শিক্ষার্থী কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মনোনীত হতে পারেনি।
ফলাফলে আরও দেখা গেছে, সারা দেশের ১২টি কলেজে ভর্তির জন্য একজন শিক্ষার্থীও আবেদন করেনি বা পছন্দক্রমে রাখেনি। এছাড়া পর্যাপ্ত আবেদনকারী না থাকায় ৪১৬টি কলেজ ভর্তির জন্য কোনো শিক্ষার্থীই পায়নি। সব মিলিয়ে দুই ধাপের আবেদন ও নিশ্চায়ন শেষে মোট ১০ লাখ ৩ হাজার ২৮৮ জন শিক্ষার্থী ভর্তির আওতায় এসেছে।
বাদ পড়া শিক্ষার্থীদের বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, মোট আবেদনকারীর প্রায় ৯৯ শতাংশকেই আসন বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। মূলত পছন্দতালিকায় কম সংখ্যক কলেজ রাখা বা কেবল শীর্ষ কলেজগুলো বেছে নেওয়ার কারণেই অবশিষ্ট এক শতাংশ শিক্ষার্থী বাদ পড়েছে।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, দেশে এখনও কয়েক লাখ আসন শূন্য রয়েছে। তাই বাদ পড়া শিক্ষার্থীরা ভর্তিবঞ্চিত হবে না; শূন্য আসন থাকা কলেজগুলোতে তারা সশরীরে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।
