১) একটি বার্গারে বিভিন্ন ধরনের খাবার যেমন - গরু ও মুরগির মাংস, টমেটো, লেটুস, পনির, পাউরুটি ইত্যাদি থাকে। তারপরেও খুব বেশি বার্গার খাওয়া আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর কেন ?
উত্তর : একটি বার্গারে বিভিন্ন খাবার যেমন গরু ও মুরগির মাংস, টমেটো, লেটুস, পনির, পাউরুটি ইত্যাদি থাকে। তারপরও বার্গার অতিরিক্ত খাওয়া আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কারণ, বার্গার এক ধরনের জাঙ্ক ফুড। জাঙ্ক ফুড সুস্বাদু হলেও সুষম খাদ্য নয়। জাঙ্ক ফুডে অত্যাধিক চিনি, লবণ, ও চর্বি থাকে যা আমাদের শরীরে খুব সামান্য দরকার হয়। সাধারণত অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড তথা বার্গার গ্রহণে আমাদের শরীরে পুষ্টি হীনতা, অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি বা মোটা হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে।
২) খাদ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে আমরা নানাভাবে উপকৃত হই। কিন্তু খাদ্যে রাসায়নিকের ব্যবহার আমাদের স্বাথ্যের জন্য ক্ষতিকর হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : খাদ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে আমরা নানাভাবে উপকৃত হই। কিন্তু খাদ্যে রাসায়নিকের ব্যবহার আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কারণ অনেক অসাধু ব্যবসায়ী খাবার সংরক্ষণের জন্য ফরমালিন, ফল পাকানোর জন্য বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ যেমন— কার্বাইড ব্যবহার করে। ফলে এ সকল ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত খাদ্য গ্রহণের ফলে বৃক্ক ও যকৃত অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। শরীরের বৃদ্ধি কমে যেতে পারে। অ্যাজমা ও ক্যান্সার হতে পারে।
তাই খাদ্যে রাসায়নিক ব্যবহার আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
১. সুষম খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা ৫টি বাক্যে লেখ।
উত্তর : সুষম খাদ্য গ্রহণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুষম খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা নিম্ন্নরূপ—
১.কর্মক্ষম থাকার জন্য আমাদের সঠিক পরিমাণ পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন যা আমরা সুষম খাদ্য থেকে পেয়ে থাকি।
২.প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণ না করলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সহজেই রোগে আক্রান্ত হয়।
৩.সুষম খাদ্যের অভাবে শরীরের কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়।
৪.অপুষ্টিজনিত কারণে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ বাধাগ্রস্তহয়।
৫.অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে ওজনজনিত সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। আমাদের বয়স ও কাজের ধরন অনুযায়ী সঠিক পরিমাণে সুষম খাদ্য গ্রহণ করা উচিত।
২.সুষম খাদ্যে কয়টি উপাদন থাকে? যারা বেশি পরিশ্রম করে তাদের পরিমিত খাদ্য গ্রহণ প্রয়োজন কেন একটি বাক্যে লেখ। অতিরিক্ত খাবার খাওয়া নিরুত্সাহিত করতে তুমি কী করবে তা তিনটি বাক্যে লেখ।
উত্তর : সুষম খাদ্যে ৬টি উপাদান থাকে।
যারা বেশি পরিশ্রম করে তাদের দেহকে সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম রাখতে, দেহের বৃদ্ধি সাধন ও ক্ষয়পূরণে এবং দেহে তাপ শক্তি জোগাতে পরিমিত খাদ্য গ্রহণ করতে হয়।
অতিরিক্ত খাবার খাওয়া নিরুত্সাহিত করতে আমি নিচে উল্লিখিত কাজ তিনটি করব—
১.অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার অপকারিতা সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করব।
২.অতিরিক্ত খাবার খেলে দেহভারী হয়ে যায় সে সম্পর্কে সবাইকে জানাব।
৩.অতিরিক্ত খাবার খেলে শিশুরা খেলাধুলায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে সে সম্পর্কে সবাইকে জানাব।

