‘হত্যা ও ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের উদ্যোগ নেওয়া হবে’

আপডেট : ২১ আগস্ট ২০১৯, ২১:২০

জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সাংবাদিক অধিকার ফোরাম (বিজেআরএফ) আয়োজিত ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ থেকে ২১ আগস্ট ২০০৪ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও গণমাধ্যম শীর্ষক এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, স্বাধীনতা-বিরোধী অপশক্তি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল। একই অপশক্তি ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট জাতির পিতার সুযোগ্য উত্তরাধিকার জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের নেতাদের হত্যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতে চেয়েছিল। প্রতিবারেই তারা সাময়িকভাবে সফল হলেও চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের বিচার সমাপ্ত করেছে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার প্রক্রিয়া চলমান আছে। ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ থেকে ২১ আগস্ট ২০০৪ পর্যন্ত হত্যা ও ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। গতকাল বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুরুল হক চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী তার লিখিত বক্তব্যে সকল ষড়যন্ত্রের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ সাংবাদিক অধিকার ফোরামের সভাপতি আজিজুল ইসলাম ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় মহিলা শ্রমিক লীগের সভাপতি বেগম শামসুন নাহার ভুঁইয়া এমপি। আলোচনায় অংশ নেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সাইফুল আলম, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হারুন অর রশীদ হাওলাদার, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার, সার্ক ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরামের মহাসচিব প্রকৌশলী মো. শামসুর রহমান, জাতীয় প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহেদ চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা, বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের সভাপতি লায়ন গণি মিয়া বাবুল প্রমুখ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ সাংবাদিক অধিকার ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এম এ সালাম শান্ত।