সন্তানের অভিভাবকত্বে মায়ের অধিকার নিশ্চিত করা, শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বিদ্যমান আইনি কাঠামোর সীমাবদ্ধতা দূর করা এবং আদালতের আদেশ কার্যকর করতে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার দাবি উঠেছে এক সংলাপে। বক্তারা বলেছেন, সন্তানের প্রকৃত পরিচর্যাকারী মা হলেও প্রচলিত আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থায় অনেক ক্ষেত্রে তিনি সন্তানের শিক্ষা, চিকিৎসা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে বাধার মুখে পড়েন। অভিভাবকত্বের প্রশ্নে মা-বাবার অধিকার, সন্তানের নিরাপত্তা এবং দায়িত্বশীল পরিচর্যার বিষয়গুলোকে নতুন করে বিবেচনা করা জরুরি। বৃহস্পতিবার ঢাকার পান্থপথে দৃকপাঠ ভবনে শিশুদের অভিভাবকত্ব সম্প্রসারণ প্রস্তাব (সিজিইপি)-এর দ্বিতীয় সংলাপে এসব কথা উঠে আসে।
‘বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে কার্যকর পথের সন্ধানে’ শীর্ষক এ আয়োজনে আইনজীবী, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, গবেষক, অধিকারকর্মী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। সাংগঠনিক সহযোগিতায় ছিল নাগরিক কোয়ালিশন।
সংলাপে আলোচকরা বলেন, বাংলাদেশে প্রচলিত আইনি কাঠামোয় বাবাকে শিশুর স্বাভাবিক অভিভাবক হিসেবে বিবেচনা করার কারণে অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত পরিচর্যাকারী মা সন্তানের পক্ষে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। স্কুলে ভর্তি, জরুরি চিকিৎসার সম্মতি কিংবা বিদেশভ্রমণের অনুমতিপত্রে স্বাক্ষরের মতো বিষয়েও তাকে জটিলতার মুখে পড়তে হয়। বিবাহবিচ্ছেদ বা স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানের দায়িত্ব একা পালন করতে গিয়ে অনেক মা সামাজিক অসহযোগিতা, আর্থিক সংকট ও মানসিক চাপের মুখোমুখি হন।
সিজিইপির আহ্বায়ক দিলরুবা শরমিন উদ্বোধনী বক্তব্যে রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও জবাবদিহির বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বিদ্যমান আইনের বিভিন্ন বিধানের মধ্যে অসংগতি ও সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে বলেন, অভিভাবকত্বসংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্তে শিশুর সর্বোত্তম কল্যাণই হতে হবে প্রধান বিবেচ্য।
সিজিইপির গবেষণা প্রধান ও সমন্বয়ক তৃষিয়া নাশতারান মূল বক্তব্যে উদ্যোগটির তিনটি ভিত্তি তুলে ধরেন—শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ, পিতামাতা উভয়ের সমান অভিভাবকত্বের অধিকার এবং শিশুর পরিচর্যার ধারাবাহিকতা।
তিনি জানান, প্রথম ও দ্বিতীয় সংলাপের আলোচনা সমন্বয় করে একটি ভিত্তি দলিল তৈরি করা হবে। এর ওপর নির্ভর করে অভিভাবকত্বসংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট প্রশাসনিক ও আইনি প্রস্তাবের খসড়া তৈরির উদ্যোগ নেয়া হবে।
‘শিশু সম্পত্তি নয়, তার মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে’
সংলাপে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মীর হুযাইফা আল মামদূহ বলেন, ২০১৩ সালে তার বাবা মারা যাওয়ার পর তার মা একাই তিন ভাইবোনকে বড় করেছেন। মায়ের নিজের উপার্জন না থাকলেও সন্তানদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ছিল তার। মায়ের অভিভাবকত্বের অধিকার নিয়ে ধর্মীয় সূত্র অনুসন্ধানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি আমার জীবন দিয়ে মায়ের অভিভাবকত্বের অধিকারের পক্ষে।’
আদিবাসী সম্প্রদায়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে লোটাস মারমা বলেন, মারমা সমাজে প্রথাগতভাবে ছেলে ও মেয়েসন্তানের অভিভাবকত্ব নিয়ে ভিন্ন রীতি রয়েছে। অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় আইনের সঙ্গে প্রথাগত ব্যবস্থার সিদ্ধান্তের বিরোধও তৈরি হতে পারে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, প্রচলিত আইনে সুবিচার না পেলে একজন মা কোথায় যাবেন?
টেলিভিশন উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী বলেন, অভিভাবকত্বের স্বীকৃতির পাশাপাশি দায়িত্বশীল অভিভাবকত্বের একটি স্পষ্ট কাঠামো থাকা প্রয়োজন। তার মতে, একক অভিভাবকের সন্তান যেন স্কুলে ভর্তি বা সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। বাবা-মা ছাড়া বেড়ে ওঠা শিশুদের সুরক্ষা ও দায়িত্ব গ্রহণে রাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।
তৃষিয়া নাশতারান বলেন, সন্তানকে ফেলে বাবার চলে যাওয়ার ঘটনা সমাজে দেখা যায়। কাজের সন্ধানে শহরে গিয়ে আর ফিরে না আসা কিংবা অন্যত্র নতুন সংসার গড়ে তোলার পর আগের সংসারের সন্তানের দায়িত্ব প্রায়ই মায়ের ওপর বর্তায়। উপকূলীয় অঞ্চলে কিছু সাময়িক বিয়ের পর পুরুষের ফিরে যাওয়ার ঘটনায় অপ্রাপ্তবয়স্ক ও গর্ভবতী নারীদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। এসব শিশুর অভিভাবকত্ব ও পরিচর্যার দায়িত্ব কীভাবে নিশ্চিত হবে, তা নিয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন বলে তিনি মত দেন।
রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী বলেন, অভিভাবকত্বসংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে তুলনামূলকভাবে কম মামলা আদালতে আসে। তবে পথশিশু, অনাথ, রোহিঙ্গা ও কিশোর ক্যাম্পের শিশুদের সুরক্ষার প্রশ্নেও রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে। শিশুদের মাদক থেকে দূরে রাখতে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, ক্লাব ও খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানো এবং তাদের বেড়ে ওঠার জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
এ ছাড়া সাংবাদিক সামসুদ্দোজা সাজেন বলেন, পরিবারে সন্তানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে মায়ের ভূমিকার স্বীকৃতি জরুরি। শিশু যার সঙ্গে অধিকাংশ সময় কাটায়, তাকে যথাযথ মর্যাদা না দিলে তা শিশুর আত্মমর্যাদায় আঘাত করতে পারে। শিশুকে কেন্দ্র করে মা-বাবার টানাপড়েনও তার মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, শিশুর অভিভাবকত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলেও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তা সবসময় যথাযথ গুরুত্ব পায় না। শিশুর প্রাথমিক পরিচর্যা ও বেড়ে ওঠাকে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, পরিবার ও সমাজের কাছ থেকে যথাযথ পরিচর্যা না পেলে পরবর্তী জীবনে শিশুকে অনেক কিছু নতুন করে শিখতে হয়। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ব্যক্তিদেরও উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন।
দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহরুখ মহিউদ্দিন বলেন, একটি শিশুকে বড় করে তুলতে পুরো সমাজের ভূমিকা প্রয়োজন। আইনি প্রতিকার তখনই কার্যকর হবে, যখন সমাজও তা বৃহত্তর পরিসরে গ্রহণ করবে। তার মতে, শিশুর চাহিদা ও পছন্দকে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে রাখা জরুরি।
নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য নুসরাত তাবাসসুম পুনর্বিবাহের পর মায়ের অভিভাবকত্ব হারানোর বিষয়টি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, সন্তান তখনই অভিভাবকের কাছে নিরাপদ বোধ করবে, যখন অভিভাবক নিজেও সন্তানকে নিয়ে নিরাপদ বোধ করবেন। অভিভাবকত্বের পরিসর সম্প্রসারণে তিনি সৎবাবার অভিভাবকত্ব, দত্তক নেওয়ার অধিকার, দত্তক সন্তানের উত্তরাধিকার এবং কোনো শিশুকে অভিভাবকহীন না রাখার বিষয়ে প্রস্তাব দেন।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না, এর কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। শিশুদের শারীরিক ও যৌন নির্যাতন, প্রতিবন্ধী শিশুদের নিরাপত্তা এবং পরিবার ও সমাজের দায়িত্বের বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
এদিন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বলেন, বাংলাদেশ শিশু অধিকার সনদে স্বাক্ষরকারী প্রথম দিকের দেশগুলোর একটি হলেও শিশুদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এখনো নানা প্রশ্ন রয়ে গেছে। শিশুদের জন্য নিরাপদ ঘর, কর্মক্ষেত্র ও সমাজ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট রেহনুমা আহমেদ শিশুদের নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমের তদারকি এবং সেখানে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি সামনে আনেন।
১৮৯০ সালের আইনের ধারা নিয়ে প্রশ্ন
সংলাপে অভিভাবকত্বসংক্রান্ত বিদ্যমান আইনি বাধা ও প্রশাসনিক জটিলতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) আয়েশা আক্তার জানান, সংস্থাটি ২০২৩ সালে অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন, ১৮৯০-এর ১৯(খ) ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে একটি জনস্বার্থ মামলা করে। এ ধারার কারণে বাবা জীবিত থাকলে এবং আদালতের বিবেচনায় তিনি অযোগ্য না হলে অন্য কাউকে শিশুর অভিভাবক নিয়োগের ক্ষেত্রে বাধা তৈরি হতে পারে।
আয়েশা আক্তারের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে আদালত এ বিষয়ে রুল জারি করেন এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে একটি নির্দেশিকা তৈরির নির্দেশ দেন। চার মাসের মধ্যে অগ্রগতি জানানোর কথা থাকলেও পরবর্তী অগ্রগতির তথ্য পাওয়া যায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদকর্মী মো. মুসা মিয়া আদালতের আদেশ বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ, আদেশ কার্যকরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চিহ্নিত করা এবং শিশুর সঙ্গে যোগাযোগ ও সাক্ষাতের নির্দেশনা নিশ্চিত করার প্রস্তাব দেন।
সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ শিশুদের জন্য ফস্টার কেয়ার বা বিকল্প পরিচর্যাব্যবস্থার সম্ভাবনা বিবেচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। বিভিন্ন পরিচয় ও পরিস্থিতির কারণে পরিবার থেকে বঞ্চিত শিশুদের সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করতে এ ধরনের ব্যবস্থা সহায়ক হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
অন্যদিকে, ব্লাস্টের অনারারি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, অভিভাবকত্বের আইনি পরিবর্তন নিয়ে অতিরিক্ত দ্বিধা থাকা উচিত নয়। ঔপনিবেশিক ও পিতৃতান্ত্রিক আইনি বিধান পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে এবং সংসদ কিংবা আদালতের মাধ্যমে সে উদ্যোগ নেয়া সম্ভব।
যে প্রস্তাবগুলো সামনে এসেছে
সংলাপে আলোচকদের বক্তব্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উঠে আসে। এর মধ্যে রয়েছে— অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন, ১৮৯০-এর সংশ্লিষ্ট বিধান পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধন। শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ বিবেচনায় মা-বাবার অভিভাবকত্বের অধিকার ও দায়িত্বের স্পষ্ট কাঠামো তৈরি।
সৎবাবার অভিভাবকত্ব, দত্তক নেয়ার অধিকার এবং দত্তক সন্তানের উত্তরাধিকারসংক্রান্ত বিষয় পর্যালোচনা। আদালতের আদেশ বাস্তবায়নের সময়সীমা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নির্ধারণ।
শিশুর সঙ্গে যোগাযোগ ও সাক্ষাতের আদেশ কার্যকর করা। অভিভাবকত্বসংক্রান্ত বিরোধে শিশুর মতামত ও নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দেয়া। আইনি স্বীকৃতির পর কাউন্সেলিং, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও ট্রমা ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা। অনাথ, পথশিশু, প্রতিবন্ধী, রোহিঙ্গা ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের শিশুদের জন্য বিশেষ সুরক্ষাব্যবস্থা। শিশুদের নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর তদারকি এবং বিকল্প পরিচর্যাব্যবস্থার সম্ভাবনা যাচাই।
সংলাপের আলোচনায় স্পষ্ট হয়েছে, অভিভাবকত্ব কেবল মা-বাবার অধিকারের প্রশ্ন নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে শিশুর নিরাপত্তা, মর্যাদা, মানসিক বিকাশ ও ভবিষ্যৎ। শিশুর প্রকৃত পরিচর্যাকারী কে, তার মতামত কী এবং সে কোথায় নিরাপদ—এসব বিষয়কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রে রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর বক্তারা গুরুত্ব দিয়েছেন।
সিজিইপি জানিয়েছে, দুই সংলাপের আলোচনা একত্র করে একটি ভিত্তি দলিল তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে বিদ্যমান পারিবারিক আইনের কাঠামো অক্ষুণ্ণ রেখে কী কী প্রশাসনিক পদক্ষেপ ও আইনি উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের খসড়া তৈরির চেষ্টা করা হবে।
