চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। দরিদ্র পরিবারের মাথা গোঁজার শেষ ঠাঁই আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকা। এখানে এসেও রক্ষা পাচ্ছে না দরিদ্র পরিবার। এরই মধ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ২৫টি ব্যারাকের ৬০টি পরিবারের বসতঘর (পাকা ভবন) নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অন্যসব ব্যারাকে বসবাসরত পরিবারেরও দিন কাটছে একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে। মঙ্গলবার সকালে আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সারি করে নির্মাণ করা পাকা ভবনগুলো মেঘনা নদীর স্রোতের তোড়ে মুহূর্তের মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। যেন দেখেও কিছুই করা যাচ্ছে না। ২০০৯ সালে লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের মেঘনা নদীর চরাঞ্চলে সাতটি আশ্রয়ণ প্রকল্প গড়ে তোলা হয়। এসব আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১৩৫টি ব্যারাকে ৬৭৫টি পরিবারকে থাকার ব্যবস্থা করা হয়। প্রমত্তা মেঘনা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বসতঘর।
চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম দেওয়ান বলেন, যারা নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের আরেকটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে স্থান করে দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে।
