চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার মইজ্জারটেক মোড়ে পেয়ারা বিক্রেতাকে মারধরের ঘটনায় চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই জাহিদ হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এদিকে পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় গত মঙ্গলবার কর্ণফুলী থানার উপ-পরিদর্শক নাছির বাদী হয়ে ৩০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় এনাম হোসেন আকাশ (২২) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শাহ আমানত সেতুর দক্ষিণ পাশে কর্ণফুলী উপজেলার মইজ্জারটেক এলাকায় ডিবির বন্দর জোনের একটি টিম কর্ণফুলী উপজেলার মইজ্জারটেক এলাকায় অভিযানে যায়। টিমের সদস্য এএসআই জাহিদ এক জন পেয়ারা বিক্রেতার কাছ থেকে পেয়ারা কেনেন। পেয়ারার দাম নিয়ে দুই জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি-মারামারি শুরু হয়। পরে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় জনতার কয়েক দফা সংঘর্ষ, ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার (বন্দর) এস এম মোস্তাইন হোসেন বলেন, ‘পেয়ারা বিক্রেতাকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত এএসআই জাহিদ হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
সিএমপির আওতাধীন কর্ণফুলী জোনের নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার জাহিদুল ইসলাম জানান, ‘পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতের অভিযোগে এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’
