সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার আইসিএল স্কুলে মালিকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে পরিচালক সাহিদুল ইসলামকে স্কুলের ভেতরে মারধরের ঘটনায় দুদিন ধরে ক্লাস বন্ধ রয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে স্কুলের শিক্ষকরা দোষীদের শান্তি না হওয়া পর্যন্ত ক্লাসে ফিরবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন। মারধরের শিকার আইসিএল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সাহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আমার সব পরিশ্রম দিয়ে স্কুলটিকে সাজিয়েছি। স্কুলে কোনো অনিয়ম করিনি। অথচ আমার ভাইরা নিজ স্বার্থের জন্য স্কুল তছনছ করতে উঠে-পড়ে লেগেছে। আমাকে মারধর করে স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে। আমি ওদের কাছে অসহায়। নিন্দা জানানো ছাড়া কোনো উপায় নেই।
এদিকে দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত মেহেদী হাসান জানান, তাদের পারিবারিক বিষয় স্কুলের ভেতরে এসে গড়াবে এটা মেনে নিতে পারিনি বলেই সকল শিক্ষক স্কুল বয়কট করেছি। একজন শিক্ষককে মারধর করবে আর আমরা চুপ থাকব, তা হয় না। তাই ন্যক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে আমরা স্কুলে যাচ্ছি না। তিনি আরো জানান, তাদের নিজেদের দ্বন্দ্বে স্কুল বন্ধ হওয়ায় সামনে বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে আমরা দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছি। তবে অপরপক্ষের ওয়াহিদুজ্জামান জানান, স্কুল প্রতিষ্ঠিত করে ভাই সাহিদুলকে পরিচালনা করতে দিয়েছিলাম। কিন্তু সে স্কুল ফান্ডের টাকা আত্মসাত্ ও একচ্ছত্র স্বেচ্ছাচারিতা করায় আমরা স্কুলে জানতে গেলে উত্তর দিতে পারেনি। এক পর্যায়ে বড়ো ভাই তাকে শাসন করেছে। এছাড়া ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া নির্বিঘ্ন রাখতে পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে স্কুল খুলে দেওয়া হবে।
এদিকে সিরাজগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিউল্লাহ জানান, বিষয়টি আমি অবহিত নই। তবে পাঠদান অব্যাহত রাখতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
