৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলায় শিকার পুলিশ

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:০৪

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে অভিযোগের তদন্তে ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলা ও মারধরের শিকার হয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। এ ঘটনায় পুলিশের কাজে বাধা, মারধর ও সরকারি সরঞ্জাম ভাঙচুরের অভিযোগে স্বামী-স্ত্রীকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করেছে করা হয়েছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের মসজিদঘোনা এলাকার খালেকুজ্জামানের ছেলে জাফর আলম (৫৭) এবং তার স্ত্রী দিল নূর বেগম (৪০)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে মসজিদঘোনা এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম (২৫) ৯৯৯-এ ফোন করে হামলা ও মারধরের অভিযোগ জানান। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে মসজিদঘোনা এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম (২৫) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে হামলা ও মারধরের অভিযোগ জানান। পরে অভিযোগের তদন্তে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পুলিশের দাবি, এ সময় অভিযুক্তরা পুলিশ সদস্যদের কাজে বাধা দেন এবং তাদের সঙ্গে অসদাচরণ ও মারধর করেন। পাশাপাশি পুলিশের ব্যবহৃত সরঞ্জামও ভাঙচুর করা হয়। একপর্যায়ে দিল নূর বেগম ও তাঁর ছেলে আরিয়ান রামদা হাতে নিয়ে পুলিশ সদস্যদের দিকে এগিয়ে আসেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পরে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় জাফর আলম ও দিল নূর বেগমকে আটক করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে একটি রামদা ও একটি বটি জব্দ করা হয়েছে। হামলায় আহত পুলিশ সদস্যরা পরে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ৯৯৯-এ পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশের কাজে বাধা ও হামলার অভিযোগ পাওয়া যায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুজনকে আটক করে। এ ঘটনায় তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/এমএসআর