চোট আর নিষেধাজ্ঞার কারণে ধুঁকতে থাকা আবাহনী এএফসি কাপের জোনাল সেমিফাইনালের প্রথম লেগে উত্তর কোরিয়ার এপ্রিল টোয়েন্টিফাইভকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত। আবাহনীর পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমোস অবশ্য এখনই তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছেন না। ফিরতি ম্যাচও জিতে ফাইনালে নাম লেখাতে চান তিনি।
গ্রুপপর্বে দারুণ খেলা মাসীহ সাইঘানিকে গেল লিগ মৌসুম শেষে ধরে রাখতে পারেনি আবাহনী। তার বদলে এশীয় কোটা পূরণে উড়িয়ে এনেছিল ইসা আলায়েলদিনকে। কিন্তু ম্যাচের পাঁচ দিন আগে এএফসির চিঠিতে আবাহনী জানতে পারে আগের ক্লাব টিসি স্পোর্টসের হয়ে লালকার্ড দেখেছিলেন মিসরীয় ডিফেন্ডার। ফলে নিজেদের মাঠে তাকে খেলাতে পারবে না আবাহনী। এর মধ্যে ম্যাচের আগ মুহূর্তে চোটের কারণে ছিটকে যান মামুনুল। একই কারণে মাঠে নামতে পারেননি ডিফেন্ডার তপু বর্মণও।
এমন দল নিয়েও তাই জয় পাওয়ায় স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত কোচ লেমোস। তিনি বলেন, ‘যে কোনো মূল্যেই ম্যাচটা জিততে চেয়েছিলাম আমরা। সেটা হয়ে যাওয়ায় আনন্দিত।’ চোট আর নিষেধাজ্ঞা সময়ে সময়ে খেলোয়াড় কেড়ে নেওয়ায় বারবারই সমন্বয়ের মধ্যদিয়ে যেতে হয়েছে দলটিকে। যারই ফলে এ ম্যাচে পাঁচ জনের রক্ষণভাগ নিয়ে নামতে হয়েছিল আবাহনীকে।
স্বাগতিক কোচ জানালেন, শেষ মুহূর্তে এ সিদ্ধান্তে এসেছিলেন তিনি। লেমোসের ভাষ্য, ‘কাল বলেছিলাম এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখছি না আমি। শেষ মুহূর্তে মনে হয়েছে পাঁচ জনের রক্ষণভাগের ব্যাপারটা। সেটাই ম্যাচে কাজে দিয়েছে।’
চোট আর নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে পরের ম্যাচেই ফিরছেন ইসা আর মামুনুল। গতকালের জয়ের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দুই খেলোয়াড়ের ফেরা পরের ম্যাচ নিয়েও আত্মবিশ্বাসী করছে লেমোসকে, ‘পরের ম্যাচটাও জেতার জন্যেই দলকে প্রস্তুত করব। এবং অবশ্যই দুই জন খেলোয়াড়ের ফেরা আমাদের দারুণ আত্মবিশ্বাস জোগাবে। পরের ম্যাচটাও জিততে মাঠে নামবে আমার দল।’
