ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এলো নতুন প্রযুক্তি

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:০৮

ক্রিকেটে নির্ভুল সিদ্ধান্ত নিতে বেশ কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে ব্যাটে বল লেগেছে কি না, তা নিয়ে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে অনেক সময় বিতর্ক তৈরি হয়। বেশ কিছু প্রযুক্তি সেই বিতর্ক কমিয়েছে। তবে সমাপ্তি টানতে পারেনি। এমন পরিস্থিতিতে ক্রিকেটে আসছে নতুন আরেক প্রযুক্তি—সনিক।

ভারত ও নিউজিল্যান্ডের চলমান সিরিজে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে এই প্রযুক্তি। শব্দ বিশ্লেষণ করে ব্যাটে বল লাগার বিষয়টি বুঝতে তৃতীয় আম্পায়ারকে সাহায্য করবে সনিক।

নতুন এই প্রযুক্তি তৈরি হয়েছে নিউজিল্যান্ডে। এর পরীক্ষা ও কার্যকারিতা যাচাই এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আইসিসির সঙ্গে আলোচনা করে এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং তাতে সহায়তা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। 

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর)  ভারত ও নিউজিল্যান্ডের পাঁচ ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হয়েছে। এরপর হবে পাঁচটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট। এই সিরিজেই প্রথমবারের মতো সনিক ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

যেভাবে কাজ করবে সনিক 

ব্যাটে বল লাগলে যে শব্দ উৎপন্ন হয়, তা বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য সংযোগ শনাক্ত করবে সনিক। বিশেষ করে বল ব্যাটে লেগে উইকেটরক্ষক বা ফিল্ডারের হাতে যাওয়ার আগে আম্পায়ারের চোখে ধরা না পড়লে, সিদ্ধান্ত পর্যালোচনায় প্রযুক্তিটি কাজে আসবে।

ডিআরএসের মাধ্যমে কোনো সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার সময় সনিকের বিশ্লেষণ থেকে পাওয়া তথ্য বিবেচনা করতে পারবেন তৃতীয় আম্পায়ার। তবে প্রযুক্তিটি আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিকল্প নয়; বরং সিদ্ধান্ত নিতে বাড়তি তথ্য দিয়ে তাকে সহায়তা করবে।

Tim Seifert and Finn Allen wait for the TV umpire's decision, New Zealand vs India, 1st T20I, Christchurch, October 22, 2026

সনিক যুক্ত হচ্ছে ভার্চ্যুয়াল আইয়ের সরবরাহ করা ডিআরএস ব্যবস্থাতেই। বল ট্র্যাকিং প্রযুক্তির জন্য ২০০৮ সালে আইসিসির স্বীকৃতি পেয়েছে এই প্রতিষ্ঠান।

তবে আপাতত শুধু ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজেই প্রযুক্তিটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে আইসিসি। ভবিষ্যতে অন্য সিরিজে সনিক ব্যবহার করতে নতুন করে আইসিসির অনুমোদন নিতে হবে।

ইত্তেফাক/জেডএইচ