কুমিল্লায় দুই দিনে ২২টি সাপ পিটিয়ে মারলো স্থানীয়রা

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২৬, ২১:৩৩

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় পুকুরপাড়ের লাকড়ির স্তূপ সরিয়ে মাটি খুঁড়তেই বের হয়ে আসে একের পর এক সাপ। সেখানে দুই দিনে মোট ২২টি বিষধর সাপ পিটিয়ে মেরেছে স্থানীয় লোকজন।

বুধবার (২১ অক্টোবর) ও বৃহস্পতিবার উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধান্যদৌল গ্রামের সামসু মাস্টারের বাড়ির পুকুরপাড়ে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সপ্তাহে ধান্যদৌল গ্রামের সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী সাপের ছোবলে মারা যায়। ওই ঘটনার পর থেকেই পুরো এলাকায় সাপের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার সকালে সামসু মাস্টারের বাড়ির পুকুরপাড়ের লাকড়ির স্তূপের নিচে একটি বড় সাপ দেখতে পান স্থানীয়রা। এ খবর জানাজানি হলে স্থানীয়রা সেখানে ভিড় জমান। পরে তারা লাকড়ির স্তূপ সরিয়ে মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে আসে একের পর এক সাপের বাচ্চা। সেখান থেকে একটি বড় মা সাপ ও সাপের ১৬টি বাচ্চা পিটিয়ে মারা হয়। এ সময় আরেকটি বড় সাপ গর্তে ঢুকে পালিয়ে যায়। এর আগে গত বুধবার রাতে একই স্থান থেকে আরও চারটি সাপের বাচ্চা মারা হয়। এ নিয়ে গত দুই দিনে ওই স্থান থেকে মোট ২২টি বিষধর সাপ মারা হয়েছে।

ধান্যদৌল গ্রামের ব্যবসায়ী আলী হোসেন বলেন, গত সপ্তাহে সাপের কামড়ে এখানে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর সবাই খুব আতঙ্কের মধ্যে পড়ে। এরই মধ্যে স্থানীয় লোকজন ২২টি সাপ মেরে ফেলেছে। মাটি খোড়ার সময় একটি সাপ চলে যাওয়ায় আতঙ্ক কাটছে না।

ব্রাহ্মণপাড়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জহিরুল হক বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। স্থানীয় লোকজন আতঙ্কিত হয়ে সাপগুলোকে পিটিয়ে মেরেছে। তার ভাষ্য, শীত ও গরমের মাঝামাঝি সময় সাপের প্রজনন ঋতু। এ সময়ে সাধারণত সাপের উপদ্রব বেড়ে যায়। এ সময় সবাইকে আরও বেশি সতর্ক অবস্থায় থাকতে হবে।

ইত্তেফাক/এপি