দলটার ওপর বিশ্বাস রাখবেন: বাশার

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৩:১২

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর বৃহস্পতিবার রাতে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। সাদা বলের ক্রিকেটে ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে যখন আলোচনা-সমালোচনা চলছে, তখন সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ভালো করার প্রত্যাশা বাংলাদেশের। দুই ম্যাচের এই সিরিজ আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। এরই মধ্যে দলের পারফরম্যান্স, টেস্ট সিরিজের লক্ষ্য ও আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে গতকাল সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন।

ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের গুরুত্ব তুলে ধরে বাশার বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য খুবই পরিষ্কার। এই দুটি ম্যাচ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দলটা দেখুন, খুব বেশি পরিবর্তন করিনি।' 

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় বর্তমানে চতুর্থ স্থানে রয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এখনো প্রথমবারের মতো ফাইনালে খেলার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের। তবে সেই প্রত্যাশার চাপ খেলোয়াড়দের ওপর দিতে চান না প্রধান নির্বাচক। বাশার বলেন, 'প্রথমত, আমি দলটার ওপর ঐ প্রত্যাশার চাপটা দিতে চাই না। আমরা ভালো খেলছি। আমরা এটা চালিয়ে যেতে চাই, ধারাবাহিক থাকতে চাই।'

সাদা বলের ক্রিকেটে ব্যাটিং নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটারদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট বাশার। তার মতে, অস্ট্রেলিয়া সফরের একটি টেস্ট ছাড়া বাকি ম্যাচগুলোতে ভালো ব্যাটিং করেছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, 'টেস্টে আমাদের ব্যাটিংটা দেখেন, সেখানে কিন্তু সবাই ভালো রান করছে। অস্ট্রেলিয়ায় একটা টেস্ট ম্যাচ ছাড়া বাকি টেস্ট ম্যাচগুলোতে বাংলাদেশ খুব ভালো ব্যাটিং করেছিল।' 

আগামী বছর অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। এর আগে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতা সমর্থকদের মনে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তবে এই দলকে নিয়ে অতিরিক্ত হতাশ না হয়ে আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচক। বাশার বলেন, 'দলটার ওপর বিশ্বকাপের চাপ দেবেন না। এই দলটা ভালো খেলেছে। আমরা যদি দলটাকে নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়ি, তাহলে তাদের ঘুরে দাঁড়াতে কষ্ট হবে। অনেক দলের সঙ্গেই এমন ঘটে, যখন তারা খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যায়।' বিশ্বকাপের আগে দলের দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে বিশেষভাবে কাজ করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

ইত্তেফাক/জেডএইচ