সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন। আজ তার জন্মদিনে বিনোদন প্রতিদিনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা। নিজের স্টেজ শোর কারণেই রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। পাশাপাশি কানাডা-অস্ট্রেলিয়াতেও গাইছেন এই মৌসুমে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন তারিফ সৈয়দ
বর্তমানে অধিকাংশ সময়ই যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। সেখানেই স্টেজ শো নিয়ে ব্যস্ত...
প্রথমত, আমি বলতে চাই স্টেজ শোর কারণে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পারফর্ম করছি। আর দেশে থাকলেও এই মৌসুমে আমেরিকা-কানাডাতেই শো করছি। সো শিল্পী হিসেবে বলবো, আমি বাংলা গানের প্রতিনিধি আমি। তাই বিশ্বের সব প্রান্তেই আমার বাংলা গানকে নিয়ে যেতে চাই।
প্রবাসী দর্শকদের বাংলা গানে আগ্রহ কেমন?
আমি বলবো প্রত্যেক প্রবাসী বুকের ভেতরে বিশাল বাংলাদেশ পুষে রাখেন। তাই যখন বিভিন্ন স্টেজে গান করি তখন দর্শক-শ্রোতারা তাদের কৈশোর বা তারুণ্যের সময়কার গানগুলোর সঙ্গে আমার গানকে সমন্বয় করেন। স্টেজ শোর সময় এসব রেসপন্স না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।
২৩ আগস্ট (আজ) আপনার জন্মদিন। দেশের বাইরে এদিনটি কেমন উপভোগ করেন?
জন্মদিনে আমার দর্শক-শ্রোতাদের ভেতরেই থাকতে ভালো লাগে। এছাড়া ছেলে মহারাজ বড় হয়েছে। ও তার মাকে কিছু না কিছু সারপ্রাইজ দেওয়ার একটা চেষ্টা করে। সেই হিসেবে আমি নিজেও ছেলের সারপ্রাইজের জন্য অপেক্ষা করি।
সাম্প্রতিক স্টেজ শোগুলো নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতা জানতে চাই—
আমি থাকি নিউজার্সিতে। কিন্তু এই সামারে নিউইর্য়ক, ওয়াশিংটন, ফ্লোরিডা ও মিশিগানে অনুষ্ঠিত কয়েকটি কনসার্টে পারফর্ম করতে মাস তিনেক আগে ঢাকা ছেড়েছি আমি। এর ভেতরে কানাডার টরন্টোর প্রথম বাংলাদেশ পথমেলাতে একটি দারুণ শো করে এলাম।
এক জীবনে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ অগণিত সম্মাননা পেয়েছেন। জীবনের এই পরিণত সময়ে প্রত্যাশা কী?
প্রত্যাশা একটিই, আমার দেশের গান-সংস্কৃতি বিশ্ব পর্যায়ে খুব উঁচু আসনে দেখতে চাই।
আপনার গাওয়া এলোমেলো বাতাসে, রংধনু থেকে, দু-চোখে ঘুম আসে না, কাল সারারাত ছিল, আমার ঘুম ভাঙ্গাইয়া গেল রে মরার কোকিলে, ও বন্ধু তুমি কই’সহ অগণিত গান জনপ্রিয়। এসব গানের নতুন রিমেক প্রয়োজন আছে বলে কী আপনি মনে করেন?
আমার কিছু গান কিন্তু রিমেক করে গেয়েছি। তবে এসব গানের মূল শিল্পী হিসেবে যেহেতু আমি এখনো বেঁচে আছি তাই কেউ নতুন অ্যারেঞ্জমেন্টে করতে চাইলে আমি নিজে গাইতে পারলে ভালো লাগবে।
