নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ১৯৯ রানের বড় লক্ষ্য মাত্র ১৩.২ ওভারেই টপকে গেল ভারত। বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে স্বাগতিকদের ধরাশায়ী করে পাঁচ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ দুই ম্যাচ বাকি থাকতেই ৩-০ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে ভ্রমণকারী দলটি। ৩৪ বলে ১১৩ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে জয়ের মূল নায়ক ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা।
১৯৯ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও বৈভব সূর্যবংশী কিউই বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালান। উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ৪৪ বল থেকে তারা তোলেন ১৩৩ রান। ১৯ বলে ৪৫ রান করে সূর্যবংশী আউট হলেও ম্যাচ ততক্ষণে ভারতের হাতের নাগালে চলে আসে।
এদিন একের পর এক পাওয়ার-হিটিংয়ে আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে একাধিক রেকর্ড ভেঙেছে ভারত।
দ্রুততম দলীয় ৫০: মাত্র ২.২ ওভারে ৫০ রান পূর্ণ করে আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে দ্রুততম ৫০ রানের যৌথ রেকর্ড স্পর্শ করে ভারত।
দ্রুততম দলীয় ১০০: মাত্র ৫ ওভারে ১০০ রান তুলে টি-টুয়েন্টির ইতিহাসে দ্রুততম ১০০ রান তোলার নতুন রেকর্ড গড়ে তারা।
পাওয়ার প্লে-তে সর্বোচ্চ রান: প্রথম ৬ ওভারে ১ উইকেটে ১১৮ রান তোলে ভারত, যা আইসিসি পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে টি-টুয়েন্টির পাওয়ার প্লে-তে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড।
৩৯ রানের মাথায় প্রথম জীবন পাওয়া অভিষেক শর্মা মাঠের চারদিকে ছক্কার বৃষ্টি নামান। মাত্র ৩৫ বলে শতক পূর্ণ করে ভারতের টি-টুয়েন্টি ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন তিনি (যৌথভাবে রোহিত শর্মার সাথে)। উল্লেখ্য, ভারতের হয়ে দ্রুততম (৩০ বলে) সেঞ্চুরির রেকর্ডটিও অভিষেকেরই দখলে।
শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ১১৩ রান করে যখন অভিষেক মাঠ ছাড়েন, তখন তাঁর নামের পাশে ছিল ৯টি চার ও ১১টি বিশাল ছক্কা। এই সেঞ্চুরির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে নিজের ৪র্থ এবং স্বীকৃত টি-টুয়েন্টিতে ১১তম সেঞ্চুরি হাঁকালেন তিনি। টি-টুয়েন্টিতে অভিষেকের চেয়ে বেশি সেঞ্চুরি আছে কেবল বাবর আজম (১৩টি) ও ক্রিস গেইলের (২২টি)।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
-
নিউজিল্যান্ড: ১৯৮/৩ (২০ ওভার) — ড্যারিল মিচেল ৮৯*
-
ভারত: ২০১/৪ (১৩.২ ওভার) — অভিষেক শর্মা ১১৩, বৈভব সূর্যবংশী ৪৫
-
ফল: ভারত ৬ উইকেটে জয়ী এবং ৫ ম্যাচের সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে ট্রফি নিশ্চিত।
