হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরি

আপডেট : ২২ আগস্ট ২০১৯, ২১:০২

হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল থেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে চার দিনের এক নবজাতককে চুরির ঘটনা ঘটেছে। তবে ঘটনার দুই ঘণ্টার মধ্যেই ঐ নবজাতককে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন তার স্বজনরা। পরে স্বজনদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত লোপা আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে শহর জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাসুক আলী জানান, স্বজনদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। আটক লোপা আক্তার শহরের পুরানমুন্সেফি এলাকার রিপন আহমেদের স্ত্রী।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত চার দিন পূর্বে হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন চুনারুঘাট উপজেলার জোয়ার লালচান্দ গ্রামের মোর্শেদ কামালের স্ত্রী ফাতেমা বেগম। বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টায় লোপা আক্তার নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে ঐ নবজাতককে নিয়ে কৌশলে হাসপাতাল থেকে সটকে পড়েন। কিছুক্ষণ পর স্বজনরা বিষয়টি কর্তব্যরত চিকিত্সক ও নার্সদের জানালে চুরির বিষয়টি ফাঁস হয়। একপর্যায়ে স্বজনরা এক জন টমটম চালকের সহায়তায় শহরের পুরানমুন্সেফি এলাকার রিপন আহমেদের স্ত্রী লোপা আক্তারের বাসা থেকে ঐ নবজাতককে উদ্ধার করেন। লোপার প্রতিবেশীরা জানান, তিনি নিজেও অন্তঃসত্ত্বা। ইতিপূর্বে একাধিকবার তার বাচ্চা নষ্ট হয়েছে। চিকিত্সকের মাধ্যমে এবারও জানতে পেরেছে তার গর্ভে বাচ্চা নষ্ট হয়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, মানসিক হতাশার কারণেই হয়ত তিনি অন্যের বাচ্চা চুরি করেছেন।