ব্রাজিলের জাতীয় দল ঘোষণায় এবার বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। নভেম্বরে জাপান ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচের জন্য ঘোষিত ২৬ সদস্যের দলে জায়গা হয়নি অ্যালিসন বেকার, এদেরসন, মার্কিনিওস, ক্যাসেমিরো, এদের মিলিতাও ও লুকাস পাকেতার মতো পরিচিত তারকাদের। বিপরীতে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন পাঁচ ফুটবলার।
নতুন করে ডাক পাওয়া পাঁচজন হলেন আন্দ্রে লুইজ, মারলন গোমেস, জনাথন জেসুস, অ্যালিসন সান্তানা ও অ্যালান। তাদের মধ্যে মারলন গোমেস ও অ্যালিসনের বয়সভিত্তিক পর্যায়ে ব্রাজিলের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। মারলন খেলেছেন অলিম্পিক দলে এবং অ্যালিসন ছিলেন অনূর্ধ্ব-২০ দলে।
বর্তমানে দুজনই ইউক্রেনের ক্লাব শাখতার দোনেৎস্কে খেলছেন। অন্যদিকে আন্দ্রে লুইজের ক্লাব করিন্থিয়াস এবং জনাথন জেসুস খেলেন ক্রুজেইরোতে। নতুনদের মধ্যে অ্যালান রয়েছেন ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটিতে।
তবে অভিজ্ঞ তারকাদের কয়েকজন বাদ পড়লেও দলে রয়েছেন ভিনিসিউস জুনিয়র, রাফিনহা, এস্তেভাও, এন্দরিক, গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহাস ও ব্রুনো গিমারায়েসের মতো পরিচিত মুখ। সব মিলিয়ে নতুন ও তরুণ ফুটবলারদের আধিক্য থাকায় এবারের দলটি আগের তুলনায় বেশ অনভিজ্ঞ।
২৬ সদস্যের দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়েরই জাতীয় দলের হয়ে ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা সীমিত। কারও আন্তর্জাতিক ম্যাচের সংখ্যা এক বা দুই, আবার কারও রয়েছে দশের কাছাকাছি। ফলে নতুনদের সামর্থ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি দলের বিকল্প খেলোয়াড়দেরও পরখ করে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন আনচেলত্তি।
আগামী ১৪ নভেম্বর সিঙ্গাপুরে জাপানের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। এরপর ১৭ নভেম্বর একই ভেন্যুতে স্বাগতিক সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নতুন খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানিয়ে নেওয়া এবং দলের শক্তি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ম্যাচ দুটি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
ব্রাজিলের ২৬ সদস্যের দল
গোলরক্ষক: বেন্তো, লুকাস পেরি ও মরিস্কো।
ডিফেন্ডার: আর্থুর দিয়াস, কার্লোস অগাস্তো, ডগলাস সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহাস, জাইর কুনহা, জনাথন জেসুস, ভেন্ডারসন, ভিতর রেইস ও ওয়েসলে।
মিডফিল্ডার: আন্দ্রে লুইজ, আন্দ্রে সান্তোস, ব্রুনো গিমারায়েস, দানিলো সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল বনটেম্পো, জোয়াও গোমেস ও মারলন গোমেস।
ফরোয়ার্ড: অ্যালিসন সান্তানা, অ্যালান, এন্দরিক, এস্তেভাও, রাফিনহা, রায়ান ও ভিনিসিউস জুনিয়র।
সূত্র: গোল ডটকম
