হকারদের দখলে আজিমপুরের ফুটপাত-সড়ক, কার্যকর পদক্ষেপের দাবি

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৪:৫৮

আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আবাসন এলাকার ফুটপাত ও সড়ক দখল করে বসছে হকারদের দোকান ও অস্থায়ী বাজার। এতে ব্যাহত হচ্ছে পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল। সড়কের ওপর বাজার বসায় যানবাহন চলাচলেও তৈরি হচ্ছে প্রতিবন্ধকতা। ফলে প্রায়ই সৃষ্টি হচ্ছে যানজট, ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা।

আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আবাসন এলাকার বিভিন্ন সড়ক ও ফুটপাত দখল করে বসছে হকারদের দোকান ও অস্থায়ী বাজার। এতে ব্যাহত হচ্ছে পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল। সড়কের ওপর দোকানপাট ও বাজার বসায় যানবাহন চলাচলেও তৈরি হচ্ছে প্রতিবন্ধকতা। ফলে প্রায়ই সৃষ্টি হচ্ছে যানজট, ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ফুটপাত পথচারীদের চলাচলের জন্য হলেও তা এখন হকারদের দখলে। অনেক জায়গায় ফুটপাত ছাড়িয়ে সড়কের ওপরও পসরা সাজিয়ে বসছেন বিক্রেতারা। এতে বাধ্য হয়ে পথচারীদের মূল সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে যানবাহন ও মানুষের চলাচলে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে।

এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। গত ২৮ অক্টোবর গুলিস্তানে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি বলেন, অবৈধভাবে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে হকার বসালে মালামাল জব্দের পাশাপাশি প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং গ্রেপ্তার করা হবে।

তিনি আরও বলেন, যতবারই অবৈধভাবে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করা হবে, ততবারই নগরবাসীর স্বার্থে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। জনগণের চলাচলে বিঘ্ন না ঘটিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্টসংখ্যক হকারকে বসার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।

ডিএসসিসি প্রশাসকের এমন বক্তব্যের পর আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আবাসন এলাকার ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, শুধু অভিযান চালালেই হবে না, উচ্ছেদের পর যাতে আবারও ফুটপাত ও সড়ক দখল না হয়, সে বিষয়েও নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।

এ বিষয়ে ডিএমপির লালবাগ বিভাগ উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মফিজুল ইসলাম দৈনিক ইত্তেফাক ডিজিটালকে জানান, আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান চালাচ্ছি। যখন উচ্ছেদ অভিযান চালাই তখন হকাররা চলে যায়, পরে আবার তারা বসে। এ বিষয়ে আমি নজরদারি করছি, তবে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন যদি আমাদের উচ্ছেদে সহযোগিতা করে সেক্ষেত্রে আমাদের জন্য সুবিধা হয়।

ইত্তেফাক/এমএএম