সাফে খেলার নতুন স্বপ্ন বুনে আবার দলে ফিরেছিলেন ডিফেন্ডার তপু বর্মন। কিন্তু সাফের প্রথম ম্যাচেই আউট। ভুটানের বিপক্ষে খেলতে পারেনি তিনি। সাফে গ্রুপ পর্বে আছে এক ম্যাচ, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, ১১ নভেম্বর। সেমিফাইনালে এক ম্যাচ, ১৭ নভেম্বর ফাইনাল ম্যাচ। হাতে রয়েছে আরও ১০ দিন।
এই সময়ের মধ্যে সেরে ওঠার কোনো সুযোগ দেখছে জাতীয় দলের কোচ থমাস ডুলি। তপুর এমআরআই করানো হচ্ছে। সেখানে কী রিপোর্ট আসে সেটা দেখে রিপোর্টার দেবেন জাতীয় দলের চিকিৎসক সালেহ উদ্দিন মাহমুদ এবং ফিজিও থেরাপিস্ট নিকোলাস ডেভিড গুসচিল।
ইনজুরির কারণে তপু ফিফা আসিয়ান কাপ ফুটবলে খেলতে যাননি। ইনজুরি কাটিয়ে ওঠার জন্য সময় পেয়েছিলেন। সাফে পুনরায় তপুকে জাতীয় দলে নেন থমাস ডুলি। তপুকে ভুটান ম্যাচের আগে অধিনায়ক হিসাবে সংবাদ সম্মেলনে নিয়ে আসেন কোচ থমাস ডুলি। এ নিয়ে অনেক প্রশ্ন ওঠে। তপু পুরো সাফের জন্য অধিনায়ক থাকবেন কিনা। কিন্তু থমাস প্রশ্নের সরাসরি জবাব না দিলেও তপুকে কেন দরকার, কতটা প্রয়োজন, তার সব রকম গুরুত্ব তুলে ধরেছিলেন।
বৃহস্পতিবার ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে সাফের ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে অধিনায়ক হিসেবে তপু বর্মনের নামও ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু একাদশে নামেন অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। তপু আউট। কারণ ওয়ার্মআপ করার সময় তপুর পুরোনো চোট নতুন করে নাড়া দিয়ে ওঠে। তাহলে এত দিন অনুশীলন করল কীভাবে।
ম্যানেজমেন্ট সূত্রে জানা যায় ফিজিও ডাক্তার, তারা ভালো বলেছেন। তপুকে ফিট বলেছেন। কোচও মনে করেছিলেন তপু সম্পূর্ণ ফিট। তাই খেলতে সমস্যা নেই। এখনতো দেখা যাচ্ছে তপুর পায়ের যে সমস্যা ছিল, সেটার ক্ষত গভীরে রয়ে গেছে।'
গতকাল তপুর খোঁজ নিয়ে টিম ম্যানেজম্যান্ট সূত্রে জানা যায় সাফে খেলার সম্ভাবনা কম। তপু রিহ্যাবে আছেন। মাঠে থাকবেন, দলের সঙ্গেই তাকে রাখা হবে। যদি এমআরআই-এর রিপোর্টে ভালো কিছু আসে এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে উন্নতি হয় তাহলে সাফে নামতে পারবেন। তা না হলে.....কী হয় বলা কঠিন।'
