জলবায়ু ও দুর্যোগ
১। বাংলাদেশের কোন অঞ্চলগুলোতে নদী ভাঙ্গনের প্রবণতা রয়েছে। কেন?
উত্তর : বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলোতে নদী ভাঙ্গনের প্রবণতা বেশি। কারণ ঐসব অঞ্চলে বন্যার প্রবণতা বেশি। বন্যার অতিরিক্ত পানির স্রোত ও ঢেউ নদীর পাড়ে আঘাত হানে, ফলে বন্যার সময় নদীভাঙ্গন শুরু হলে তা মারাত্মক রূপ ধারণ করে।
২। বাংলাদেশের কোন কোন অঞ্চলগুলোতে খরা বেশি হয় ?
উত্তর : বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের জেলাগুলোতে খরা বেশি হয়। দীর্ঘকাল ধরে শুষ্ক আবহাওয়া, অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত এবং অল্পসংখ্যক নদী থাকার কারণে ঐ অঞ্চলে খরার প্রবণতা বেশি।
৩। বাংলাদেশের কোন অঞ্চলগুলো ভূমিকম্পপ্রবণ?
উত্তর : বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে ভূমিকম্পের প্রবণতা বেশি। সাধারণত টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারণে ঐ অঞ্চলে বেশি ভূমিকম্প হতে দেখা যায়।
৪.জলবায়ু কী? জলবায়ু পরিবর্তনের চারটি প্রভাব লেখ।
উত্তর : সাধারণত ৩০-৪০ বছরের বেশি সময়ের আবহাওয়ার গড়কেই জলবায়ু বলা হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের চারটি প্রভাব নিচে দেয়া হলো—
ক.গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
খ.অতিবৃষ্টি বা অনাবৃষ্টি হচ্ছে।
গ.ঘূর্ণিঝড়ের প্রকোপ বেড়ে যাচ্ছে।
ঘ.বারবার ভয়াবহ বন্যা হচ্ছে।
৫.ভূগোলবিদ ইসহাক সাহেব বহুদিন যাবত্ একটি স্থানের আবহাওয়ার গড় অবস্থা নিয়ে পর্যালোচনা করছেন। ইসহাক সাহেবের পর্যালোচনাকৃত বিষয়টিকে কী বলা হয়? বাংলাদেশে এটি পরিবর্তনের চারটি প্রভাব লেখ।
উত্তর : জলবায়ু বলা হয়।
বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের চারটি প্রভাব—
ক.গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
খ.বারবার ভয়াবহ বন্যা হচ্ছে।
গ.মাটির লবণাক্ততা বেড়ে কৃষিজমির ক্ষতি হচ্ছে।
ঘ.গাছপালা ও বিভিন্ন প্রাণী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।
৬. নদীভাঙনের অন্যতম প্রাকৃতিক কারণ কী? নদীভাঙন সম্পর্কে চারটি বাক্য লেখ।
উত্তর : নদীভাঙনের অন্যতম প্রাকৃতিক কারণ হলো বন্যা। নদীভাঙন সম্পর্কে চারটি বাক্য—
ক.নদীভাঙনের ফলে আমাদের মূল্যবান কৃষি জমি, বাড়ি-ঘর বিলীন হয়ে যায়।
খ.এর ফলে আমাদের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক জীবন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
গ.বন্যার সময় নদীভাঙন শুরু হলে তা মারাত্মক রূপ ধারণ করে।
ঘ.নদী থেকে বালি উত্তোলনের কারণেও নদীভাঙনের শিকার হয়।
