চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় এক মাদকাসক্তের ধারালো দায়ের কোপে গুরুতর আহত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য জানে আলম ওরফে জামাল (৪৮)। আহত জামাল উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি। তিনি দক্ষিণ মাদার্শা খামারবাড়ি এলাকার মৃত মফজল আহমদের ছেলে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন আছেন।
ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার বেলা পৌনে ২টার সময় উপজেলার মাদার্শা এয়াজরপাড়া বায়তুর রহমান জামে মসজিদ এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, জানে আলম ওরফে জামাল ও একই এলাকার মাদকাসক্ত আবু সুফিয়ান প্রকাশ মুছা (৪৫) মসজিদ থেকে জুমার নামাজ আদায় করে বের হয়ে জামাল বাড়ির দিকে রওনা হন। এ সময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাদকাসক্ত মুছা একটি ধারালো দা দিয়ে পিছন দিক থেকে জামালকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। মুছার ধারালো দায়ের কোপে জামালের মাথার দুই পাশ এবং ডান হাত কেটে গুরুতর আহত হয়। জামালের চিত্কারে মসজিদের অন্য মুসল্লিরা এগিয়ে এলে হামলাকারী মুছা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা জানে আলম ওরফে জামালকে উদ্ধার করে প্রথমে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিত্সক চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুরুদ্দিন বলেন, দায়ের কোপ মাথার গভীরে প্রবেশ করায় উন্নত চিকিত্সার জন্য চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
মাদার্শা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য নুরুল কবির জানান, দাদিয়ে জামালকে কোপানোর সময় মুছা বলছিল, ‘তুমি আমাকে জানে মেরেছ; আমি তোমাকে জানে মেরে ফেলব।’ উল্লেখ্য, মুছা একই এলাকার জাকারিয়া নামের এক ব্যবসায়ীর চট্টগ্রাম শহরে দোকানের দারোয়ানের কাজ করতেন।
