জো ক স

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০১৯, ২০:৩৯

যেমন প্রশ্ন,

তেমন উত্তর

ভাগ্নে :মামা, তোমাদের ওদিকে মশা কেমন? 

মামা :খেয়ে দেখিনি তো টেস্ট কেমন।

ভাগ্নে :তা বলছি না, বললাম তোমাদের ওদিকে মশা দেখতে কেমন?  

মামা :কেমন আবার? দেখতে কালো, শুড় আছে, পা আছে।

ভাগ্নে :আরে ধুর, বললাম তোমাদের ওদিকে ডেঙ্গু মশার উত্পাত কেমন? 

মামা :নাহ্, কোনো উত্পাত তো নেই। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই কিছুই তো করে না। শুধু কামড় দেয়, এই যা।

 

কই খাচ্ছি?

প্রথম বন্ধু :কী রে, ঈদ শেষ হয়েছে কবে, এখনো খেয়েও যাচ্ছিস?

দ্বিতীয় বন্ধু :কই খাচ্ছি, মুখে নিয়েই তো ফেলে দিচ্ছি।

প্রথম বন্ধু :কোথায় ফেলে দিচ্ছিস?

দ্বিতীয় বন্ধু :কেন, পাকস্থলীতে।

 

ঈদ অনুষ্ঠানের সাইড ইফেক্ট

প্রথম প্রতিবেশী :ভাবিকে ঈদের ছুটিতে ডাক্তার দেখালেও তো পারতেন। 

দ্বিতীয় প্রতিবেশী :কেন?

প্রথম প্রতিবেশী :ভাবি তিন দিন ধরে কেঁদেই যাচ্ছে আর আপনি বলছেন ‘কেন’?

দ্বিতীয় প্রতিবেশী :ও আচ্ছা এই কথা। আপনার ভাবি তিন দিন ধরে কেঁদেই যাচ্ছে কথা সত্য, তবে সেটা অসুখের কারণে কে বলল?

প্রথম প্রতিবেশী :তবে?

দ্বিতীয় প্রতিবেশী :ঈদ অনুষ্ঠান দেখে।

 

ভাঙ্গে নাই, তয় মচমচ করতাছে

ঈদে সিনেমা হলের সামনে গিয়ে এক কৌতূহলী দর্শক হলের দারোয়ানকে বারবার প্রশ্ন করছিল দেখে দারোয়ান গেল বিরক্ত হয়ে। 

দর্শক :কী ভাই, হল কি ভাঙছে?

দারোয়ান :এখনো ভাঙ্গে নাই, তয় মচমচ করতাছে।

 

 

উনি কি জানে না?

গরুর হাটে এক টাক মাথা লোককে

দেখে ছোট্ট ছেলে চিত্কার শুরু করে দিল।

ছেলে :টাক মাথা, টাক মাথা!

বাবা :ছিঃ ছিঃ ছিঃ! উনি শুনতে পাবেন তো।

ছেলে :কেন, শুনলে কী হবে?

উনি কি জানে না?

 

 

আমার মামা সব জানে

ভাগ্নে :আচ্ছা মামা, বলো তো বাংলাদেশের ওজন কত?

মামা :৮৭ কেজি ৩২০ গ্রাম।

ভাগ্নে :কি দিয়ে ওজন করলে শুনি?

মামা :কেন? এক হাজার গ্রামে এক কেজি না? তাহলে ৮৭,৩২০ গ্রামে কত ওজন হয় শুনি?

 

একদিন ক্লাসে

শিক্ষিকা :তাহলে তোমরা বুঝলে তো, ভালো মানুষ হতে গেলে, ভালোভাবে বাঁচতে হলে আমাদের কী করতে হবে?

বাচ্চা :আমাদের মরে যেতে হবে।

শিক্ষিকা :ছিঃ ছিঃ ছিঃ! এসব কী বলছ?

বাচ্চা :ঠিকই বলছি মিস। মানুষ মরে গেলে বেঁচে যায়।

শিক্ষিকা :কে বলেছে তোমাকে?

বাচ্চা :কেন আম্মু তো রোজই বলে।

শিক্ষিকা :কী বলে?

বাচ্চা :আব্বুুর সাথে ঝগড়া করে আম্মু রোজ বলে, হে সৃষ্টিকর্তা আমায় মরণ দাও তাহলে বাঁচি।

 

কী করব বলো?

বাবা :কীরে, তুই কাদের সাথে মিশিস, কাদের সাথে চলিস? ওরা কি ভালো?

ছেলে :ওরা যে ভালো না, সে আমি জানি।

বাবা :তাহলে? জেনে শুনেও ওদের সাথে মিশছিস?

ছেলে :কী করব বলো? ভালো ছেলেগুলোর মা, বাবারা যে আমাকে ওদের সাথে মিশতে দেয় না।

 

নতুন কেন, পুরোনো আনা যেত না?

ক্রিকেট বোদ্ধা নাতি :দাদু জানো, জাতীয় দলের জন্য নতুন ক্রিকেট কোচ নেওয়া হয়েছে। 

ক্রিকেট অজ্ঞ দাদু :বলিস কী? এটা কোন কাজ করল ওরা?  

ক্রিকেট বোদ্ধা নাতি :কেন? নতুন কোচে তুমি খুশি হওনি? 

ক্রিকেট অজ্ঞ দাদু :খুশি হতে যাব কোন দুঃখে?

ক্রিকেট বোদ্ধা নাতি :কেন? 

ক্রিকেট অজ্ঞ দাদু :বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে কি টাকায় কম পড়েছে? দেখে শুনে একজন পুরনো, অভিজ্ঞ কোচ আনা যেত না? 

 

কালজয়ী প্রতিভা

প্রথম বন্ধু :একটা সময়ে বাংলা সিনেমায় কী কালজয়ী অভিনেতা-অভিনেত্রীরাই না অভিনয় করত!

দ্বিতীয় বন্ধু :তা, যা বলেছিস।

প্রথম বন্ধু :দিন দিন সব হারিয়ে গেল। 

দ্বিতীয় বন্ধু :এটা আবার ঠিক বললি না। কেউ হারায়নি।

প্রথম বন্ধু :নতুনদের মধ্যে সেই প্রতিভা আজ কোথায়?

দ্বিতীয় বন্ধু :কেন, সেই প্রতিভা তো এখন ছড়িয়ে পড়েছে ঘরে ঘরে।

প্রথম বন্ধু :ঘরে ঘরে মানে?

দ্বিতীয় বন্ধু :জি বাংলা দেখে দেখে এখন ঘরে ঘরে কালজয়ী অভিনেতা-অভিনেত্রী।    

 

কোলাকুলি করে লাভ হয়নি

 

প্রথম বন্ধু :কী রে, এবার ঈদ কেমন কাটল? 

দ্বিতীয় বন্ধু :ভালো না রে।

প্রথম বন্ধু :কেন?

দ্বিতীয় বন্ধু :এবার কোলাকুলি করে তেমন লাভ হয়নি।

প্রথম বন্ধু :কোলাকুলির সাথে লাভের সম্পর্ক কী?

দ্বিতীয় বন্ধু :এতজনের সাথে কোলাকুলি করলাম, কারো মানিব্যাগের স্বাস্থ্যই তো ভালো দেখলাম না।  

 

ওজন কমানো

ডাক্তার :ওজন কমাতে চাইলে আপনাকে পরিমিত খাবার খেতে হবে। আমি এখানে একটা খাবারের চার্ট তৈরি করে দিয়েছি। এই চার্ট অনুযায়ী খাবার খাবেন। আর আমার সাথে দুই মাস পর দেখা করবেন। 

রোগী হ্যাঁ-সূচক জবাব দিয়ে চলে গেল। এরপর দুই মাস রোগী আবার ডাক্তারের কাছে এলেন।

ডাক্তার :এ কী, আপনি তো আগের চেয়ে আরো মোটা হয়ে গেছেন এবং আপনার ওজনও অনেক বেড়ে গেছে। আপনি কি আমার দেওয়া চার্ট অনুযায়ী খাবার খাননি?

রোগী :খেয়েছিলাম।

ডাক্তার :হুম। আচ্ছা, আপনাকে তো কাপ দিয়ে মেপে দুই কাপ ভাত খেতে বলা হয়েছিল। আপনি কি কাপ দিয়ে মেপে মেপে দুই কাপ ভাত খেয়েছিলেন?

রোগী :হুম।

ডাক্তার :আচ্ছা, আপনার কাপের সাইজটা দেখাতে পারবেন?

রোগী :এই নিন। আমি কাপটা সঙ্গে করে নিয়ে এসেছি।

ডাক্তার :এটা কাপ না বড় মগ?

রোগী :কাপ-ই তো। আমি তো এই কাপ দিয়েই চা, কফি খাই।

ডাক্তার :তাই বলে আধা লিটারের একটা কাপে আপনি চা, কফি খাবেন? আচ্ছা, ভাত কি ঠেসে ঠেসে মেপেছিলেন নাকি হালকাভাবে?

রোগী :ঠেসে ঠেসে। চামুচ দিয়ে ঠেসে ঠেসেই কাপে ভাত ভরেছি। একটুও এদিক সেদিক করিনি।

ডাক্তার নির্বাক ও হতবম্ব হয়ে সেদিনের মতো রোগীকে বিদায় করলেন।  

নীরব চন্দন

খিলক্ষেত, ঢাকা।
 

স্টাইল

প্রেমিক :তিন বছর পর তোর সাথে দেখা। তোর কথাবার্তার স্টাইল একটুও পাল্টায়নি।

প্রেমিকা :আরে আমি যে নিয়ম করে খাই।

 

নিষেধ

স্ত্রী :তোমাকে বলি নাই পাশের ফ্লাটের দিকে একদম তাকাবে না।

স্বামী :পাশের ফ্লাটের ভাবির দিকে তাকাতে তো নিষেধ কর নাই।

 

বাগান

প্রেমিক :তোমার বাবার তো অনেক বাগান। আমাদের বিয়ের পর কোন বাগানটা নেব?

প্রেমিকা :কেন বাঁশ বাগানটা নিও। লোভী কোথাকার!

 

ডাক্তারের ভিজিট

প্রথম বন্ধু :কোথায় যাচ্ছিস?

দ্বিতীয় বন্ধু :ডাক্তারের কাছে।

প্রথম বন্ধু :আচ্ছা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর ভিজিট নাকি খুব বেশি।

দ্বিতীয় বন্ধু :হ্যাঁ রে। তাই ভাবছি বিশেষটা বাদ দিয়ে অজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যাব।

 

জেলী আক্তার

কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ।