নাটক চলে গেছে এখন ব্যবসায়ীদের হাতে

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০১৯, ২০:৪৯

অভিনেতা ডি এ তায়েব। নাটকের পাশাপাশি এখন সিনেমা নিয়ে পুরোদমে ব্যস্ত তিনি। চলতি বছরে এরইমধ্যে একটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে তার। হাতে রয়েছে আরো হাফ ডজন সিনেমা। পাশাপাশি এবার ঈদেও টিভিপর্দায় দেখা গেছে তাকে। নাটক-সিনেমার ব্যস্ততার পাশাপাশি এই দুই অঙ্গনের বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেছেন বিনোদন প্রতিদিনের সঙ্গে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠ

কেমন আছেন?

সবকিছু নিয়ে বেশ ভালো আছি।

 

নাটকের চেয়ে সিনেমা নিয়েই আপনার এখনকার ব্যস্ততা বেশি। শুরুতে সিনেমা প্রসঙ্গে জানতে চাই—

একটি সিনেমার কাজ প্রায় শেষ। সিনেমাটির নাম ‘আমার মা’। শেষ অংশের কিছু কাজ বাকি রয়েছে। এ নিয়েই এখনকার ব্যস্ততা। এই সিনেমায় আমার বিপরীতে রয়েছেন ববি। পরিচালনা করছেন শাহরিয়ার নাজিম জয়। পাশাপাশি দুটি সিনেমার শুটিং শুরু হবে এ বছরেই। সেগুলো হলো ‘ঈশা খাঁ’ ও ‘মাটির খাঁচা’। এছাড়াও আরো ৩টি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হলাম। সেগুলো হলো ‘অফিসার’, ‘সম্পত্তি’, ‘ও আমার জান’। এই সিনেমাগুলোর শুটিংয়ের তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

 

‘মা’ কেন্দ্রিক গল্পের অনেক সিনেমা বাংলা সিনেমার দর্শকরা দেখেছেন। সেই জায়গা থেকে আপনার ‘আমার মা’ সিনেমার গল্পে কতটুকু মৌলিকত্ব রয়েছে বলে মনে করেন?

শতভাগ মৌলিক একটি সিনেমা। গল্পের ব্যাপারে আমি সবসময় শক্ত অবস্থানে থাকি। ভালো ও মৌলিক একটি গল্পের গুরুত্ব সবার আগে।

 

পুরোদমে সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। দেশের সিনেমার এই সময়ে নিজের ক্যারিয়ারের মূল্যায়ন ও সিনেমার বাণিজ্যিক অবস্থাটা কেমন মনে করছেন?

এ বছর আমার ‘অন্ধকার জগত্’ মুক্তি পেয়েছে। এখন পর্যন্ত বিভিন্ন হলে সিনেমাটি চলছে। আমাদের বর্তমান শীর্ষ নায়ক শাকিব খানও সিনেমাটির প্রশংসা করেছেন। একটি সিনেমা দর্শকদের সঙ্গে কতটুকু কানেক্ট করতে পারছে সেটি গুরুত্বপূর্ণ। সেই জায়গায় আমার চেষ্টা ছিল। দর্শকরা পছন্দ করেছেন বলেই ৭ মাস ধরে আমার সিনেমাটি চলছে। এটি বড় একটি প্রাপ্তি। আর আমি কাজ করে যাচ্ছি। মূল্যায়নের হিসেবটা দর্শকরাই করবেন। সিনেমার অবস্থা আমাদের সবারই জানা। গল্প ও প্রযুক্তি সব জায়গা থেকে আমাদের সিনেমার মোড় ঘুরেছে। দর্শকরা সিনেমার প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন। একটু সময় লাগবে। আমরা ভালোর দিকেই এগুচ্ছি।

 

ঈদে নাটকের ব্যস্ততা কেমন ছিল?

এবার ঈদে একটি নাটক ও একটি টেলিফিল্ম প্রচার হয়েছে আমার। খুব বেশি কাজ আমি কখনোই করি না। যেগুলো করি সেগুলোর মান যেন ঠিক থাকে সেই চেষ্টা থাকে সবসময়। এবারের কাজগুলোতে বেশ ভালো সাড়াও পেয়েছি।

 

প্রতি ঈদেই প্রচুর নাটক প্রচার হয়। কিন্তু দিনশেষে আমরা একটি নাটকের নামও হয়তো বলতে পারি না। নাটকের মান নিয়ে যে বিতর্ক সবসময় থাকে এ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কী?

আসলে নাটক চলে গেছে এখন ব্যবসায়ীদের হাতে। সেখানে শিল্পের চেয়ে ব্যবসাটাই বেশি দেখা যাচ্ছে। তাই গল্প বা মান নিয়ে কারো মাথাব্যথা নেই। তবে ভালো নাটক এখনো হচ্ছে। এত নাটকের ভিড়ে আমরা হয়তো সেই কাজগুলোও মনে রাখতে পারছি না। এই সমস্যার সমাধান আমাদের খুব দ্রুত প্রয়োজন। ু