প্রিপেইড মিটার সেবায় হয়রানির অভিযোগ গ্রাহকদের

আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০১৯, ২১:৩৩

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার সেবায় হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। বাড়তি অর্থ দিতে হচ্ছে গ্রাহকদেরকে। প্রিপেইড মিটার সংযোগ প্রতিরোধ কমিটি নামের একটি সংগঠন গতকাল রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ আনে।

জাতীয় প্রেসক্লাবে জহুর হোসেন চৌধুরী হলে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শাহজাহান সিকদার বলেন, এজেন্টদের মাধ্যমে প্রিপেইড মিটারে প্রতি ১ হাজার টাকা রিচার্জে ২০ টাকা কমিশন দিতে হয়। প্রতিমাসে ভাড়া বাবদ ৪০ টাকা করে কেটে নেওয়া হয়। কতদিন পর্যন্ত ভাড়া নেওয়া হবে জানা নেই। আগে যে মাদার মিটার ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকায় কেনা হয়েছিল তার পরিবর্তে প্রিপেইড মিটার দিতে পারত।

তিনি অভিযোগ করেন, প্রতি ১ হাজার টাকায় কত ইউনিট বিদ্যুত্ পাব তা জানার সুযোগ নেই। ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেলে ২০০ টাকা জরুরি ব্যালেন্স নিলে তার বিপরীতে ৫০ টাকা সুদ দিতে হয়। প্রিপেইড মিটার লক হলে বারবার অভিযোগ করলেও কর্তৃপক্ষ তা আমলে নেয় না। লক খুলতে হলে অফিসে ৬০০ টাকা জমা দিতে হয়। নানা ভোগান্তির কারণে এ মিটার আর কেউ চায় না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান বলেন, অনেক এজেন্ট রিচার্জে বাড়তি টাকা নিচ্ছে বলে অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে তাদেরকে সতর্ক করা হচ্ছে। বেশি টাকা কাটার বিষয়ে তিনি বলেন, বিদ্যুত্ ব্যবহারের ওপরই ব্যালেন্স কাটা যায়। বাড়তি বিল করার সুযোগ নেই। হয়তো গ্রাহক বিষয়টি বুঝতে ভুল করছেন।

সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, মোহাম্মদ হাফিজ উদ্দিন হাওলাদার, মোহাম্মদ ইয়াসিন।